হলদিয়ায় নির্বাচনী প্রচারে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই বাংলায় চার দফায় ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ষষ্ঠ দফায় তমলুকে ভোট। এবারের লোকসভায় অন্যতম হাইভোল্টেজ কেন্দ্র এটি। একদিকে বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, অন্যদিকে তৃণমূলের তরুণ তুর্কী প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য। সঙ্গে লড়াইয়ে রয়েছেন সিপিআইএম-এর সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন: ISF ছোট দল তাই CPIM সংসদে চায়নি, ক্ষোভ নওশাদের, ‘গুজব রটাচ্ছেন’ পাল্টা সেলিম


মেদিনীপুর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ঘাঁটি। এই কেন্দ্রের অন্তর্গত নন্দীগ্রাম বিধানসভায় একুশ সালে হেরে যান খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জেতেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই হারের ‘ক্ষত’ এখনও যে পুরোপুরি সারেনি তা স্পষ্ট হল তৃণমূল সুপ্রিমোর কথায়। এদিন নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করলেন মমতা।

মুখ্যমন্ত্রী বললেন, “আগের বিধানসভায় নন্দীগ্রামে লোডশেডিং করে আমাকে হারিয়েছিল। আমি ভুলিনি সেই কথা। আদালতে মামলা চলছে। একদিন আসবে আমি সব সত্য ফাঁস করে দেব। নন্দীগ্রামে ভোট লুঠ হয়েছিল। আমি ছেড়ে দেব না। একদিন না একদিন এই ঘটনার বদলা আমি নেবই।”



নন্দীগ্রামে ভোট লুঠের অভিযোগ, নাম না করে শুভেন্দুকে বদলার হুঁশিয়ারি মমতার
সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর বাবা শিশির অধিকারী তথা সমগ্র অধিকারী পরিবারকেই মেদিনীপুরের মানুষের দুর্দশার জন্য দায়ী করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “এই বাপ-ছেলে কী করেছে আপনাদের জন্য? মেদিনীপুরেই সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে। আমাদের সঙ্গে যখন ছিল তখন পকেট ভর্তি করে নিয়েছে। আর এখন বিজেপির ওয়াশিং মেশিনে সাদা হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে! এর জবাব মানুষ দেবেই।”









