একেবারে নিখুঁতভাবে সাজানো নৃশংস হত্যা। প্রেমিকা শ্রদ্ধাকে খুন করে ঠাণ্ডা মাথায় দেহের বিভিন্ন অংশ গুলো ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখছিল আফতাব। গুগল করে মানবদেহ টুকরো করা ও রক্তের দাগ পরিষ্কারের পদ্ধতি খুঁজে বের করেছিল সে। দিনে রাতে দেখত আমেরিকার বিখ্যাত অপরাধ জগতের সিরিজ ‘ডেক্সটার’। প্রেমিকার মৃতদেহ ফ্রিজে রেখে তাঁর সামনেই চলত অবাধ যৌনাচার।
জানা গিয়েছে, অয়নের ফোনে বান্ধবী ও তাঁর মায়ের সঙ্গে বেশ কিছু ঘনিষ্ঠ মুহুর্তের ছবি ছিল। সেগুলো ডিলিট করার কথা বলা হয়েছিল অয়নকে। কিন্তু তা সরায়নি। তদন্তকারী অফিসারদের দাবি, অয়নের মৃত্যুর পরেও এখনও অবধি তার মোবাইলের খোঁজ মেলেনি। ফোনে ঘনিষ্ঠ মুহুর্তের ছবি অয়নের মৃত্যুর প্রধান কারণ? উঠছে প্রশ্ন।
দীর্ঘ সময় ধরে নিখোঁজ থাকার পর দুই দলিত নাবালিকার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার। উত্তরপ্রদেশের লাখিমপুর জেলার নিগহাসান থানা এলাকায় নৃশংস হত্যার ঘটনা আতঙ্কে গোটা দেশ। নিহত দুই জনের মধ্যে একজনের বয়স ১৭ ও অপরজন ১৫৷ ঘটনায় পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধর্ষণের পরেই হত্যা দুই দলিত বোনকে, মর্মান্তিক ঘপ্টনার সাক্ষী উত্তরপ্রদেশ।
বাগুইআটির জোড়া খুনের ঘটনায় শুক্রবার মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্রকে গ্রেফতার করেছে বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ। এবার গ্রেফতারের পরেই সত্যেন্দ্রর ফাঁসির দাবিতে সরব হল মৃতদের পরিবার। এমনকি এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে যাতে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয়, সেই দাবিও তুলেছেন তাঁরা।
বাগুইআটির জোড়া খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্রর কার্যকলাপ একেবারে পেশাদার খুনিদের মতোই। অভিযোগ, নিজের অবস্থান বদলানোর পাশাপাশি বারবার সিমকার্ড বদলাচ্ছে সত্যেন্দ্র। যার ফলে তদন্তকারী অফিসারদের পক্ষের সত্যেন্দ্রর অবস্থান জানতে পারা একটু কষ্টসাধ্য হচ্ছে।