নজরবন্দি ব্যুরোঃ এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই। তবুও বাগুইআটির জোড়া খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্রর কার্যকলাপ একেবারে পেশাদার খুনিদের মতোই। অভিযোগ, নিজের অবস্থান বদলানোর পাশাপাশি বারবার সিমকার্ড বদলাচ্ছে সত্যেন্দ্র। যার ফলে তদন্তকারী অফিসারদের পক্ষের সত্যেন্দ্রর অবস্থান জানতে পারা একটু কষ্টসাধ্য হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ Madan Mitra: রাজনীতি থেকে অবসর নেবেন মদন! জল্পনা তৃণমূলের অন্দরেই


সূত্রের খবর, ঘটনার পর থেকে সপ্তাহখানেক অধরা সত্যেন্দ্র। তদন্তকারী অফিসাররা তাঁর ওপর নিয়মিত নজরদারি রাখার চেষ্টা করছে তদন্তকারী অফিসাররা। জানা গেছে, একাধিকবার সিম কার্ড বদল করে সিমকার্ডগুলোকে নষ্ট করে দিচ্ছে সত্যেন্দ্র। একইসঙ্গে যাতে অভিযুক্তকে টাওয়ার লোকেশন অথবা অবস্থান খুঁজে পাওয়া যাতে সম্ভব না হয়, সেজন্য একাধিক অ্যাপ ব্যবহার করছে সে।

বিধাননগর কমিশনারেটের তরফে জানানো হয়েছে, ওই ব্যক্তির শেষ টাওয়ার লোকেশন মিলেছে হুগলী জেলায়। কিন্তু সেখানকার কোন এলাকায় তার খোঁজ মেলেনি। এর আগে একাধিকবার পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন অতনুর পরিবার। প্রথম মেসেজ এসেছিল অতনুর বান্ধবীর কাছে। তাঁকেই বলা হয়েছিল এবিষয়ে যেন তিনি অতনুর পরিবারের। এরপর পরিবারের ফোনেই একের পর এক মেসেজ আসতে শুরু করেছিল।
অভিযোগ, অতনুর এক বন্ধুর কাছে প্রথম মুক্তিপণের জন্য হুমকি মেসেজ আসে ২৪ অগাস্ট। সেখানে এরপর সেপ্টেম্বরের ৩ তারিখ অতনুর বাবার কাছে মেসেজ আসে। মেসেজে বলা হয়, ছেলের মৃতদেহ ডানকুনি থেকে নিয়ে নিতে। ২৫ অগাস্ট হাড়োয়ায় অভিষেকের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তারপরে সেই দেহ উদ্ধারের কথা জানিয়ে থানায় থানায় বার্তা দেওয়া হয়। কিন্তু তার আগে, ২৩ অগাস্ট ন্যাজাটে অতনুর দেহ উদ্ধার হয়।


বারবার সিমকার্ড বদলাচ্ছে সত্যেন্দ্র, কোথায় রয়েছে সে?

মাত্র ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে কেন খুন? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তদন্তকারী অফিসারদের মধ্যে। ইতিমধ্যেই বাগুইআটি থানার আইসি ও এসআইকে সাসপেণ্ড করা হয়েছে। তদন্তে নেমেছে সিআইডি।







