Uttarpradesh: ধর্ষণের পরেই হত্যা দুই দলিত বোনকে, উত্তরপ্রদেশে হাড় হিম করা ঘটনা

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ দীর্ঘ সময় ধরে নিখোঁজ থাকার পর দুই দলিত নাবালিকার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার। উত্তরপ্রদেশের লাখিমপুর জেলার নিগহাসান থানা এলাকায় নৃশংস হত্যার ঘটনা আতঙ্কে গোটা দেশ। মৃত দুই জনের মধ্যে একজনের বয়স ১৭ ও অপরজন ১৫৷ ঘটনায় পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধর্ষণের পরেই হত্যা দুই দলিত বোনকে, মর্মান্তিক ঘপ্টনার সাক্ষী উত্তরপ্রদেশ।

আরও পড়ুনঃ Bidhansabha: উত্তপ্ত হল বিধানসভা, একযোগে ধর্নায় বিজেপি ও তৃণমূল

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, এখনও অবধি জোড়া খুনের ঘটনায় ৬ জন যুক্ত রয়েছে। ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একজনের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে, সুহেল, জুনেইদ, হাফিজুল রহমান, করিমুদ্দিন, আরিফ। প্রত্যেকেই তাঁর পাশের গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

ধর্ষণের পরেই হত্যা দুই দলিত বোনকে, রোমহর্ষক ঘটনা উত্তরপ্রদেশে
ধর্ষণের পরেই হত্যা দুই দলিত বোনকে, রোমহর্ষক ঘটনা উত্তরপ্রদেশে

দুই নাবালিকার মা পুলিশের কাছে জানায়, তাঁর মেয়েদের তিন ঘন্টা ধরে খোঁজ মিলছে না৷ অভিযোগ, পাশের গ্রামের কিছু যুবক মোটরসাইকেলে করে তাঁর মেয়েদের তুলে নিয়ে গেছে। পরে তাদের জামার রঙ পুলিশের কাছে জানানো হয়৷ ধৃত চার জনের মধ্যে তিন জনের পরিচয় জানা যায়নি। ধর্ষণের পরেই মেয়েদেরকে খুন করা হয়েছে। অভিযোগ মায়ের।

লাখিমপুর জেলা পুলিশ সুপার সঞ্জীব সুমন জানিয়েছেন, গতকাল সুহেল এবং জুনেইদ নামের দুই যুবক ওই নাবালিকাদের আখের ক্ষেতে নিয়ে যায়। তারপর তাঁদেরকে ধর্ষণের পরে হত্যা করা হয়েছে। বাকিরা সমস্ত প্রমাণ মুছে দেওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগীতা করেছে।

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, মাঠের মাঝেই ধর্ষণ করা হয় দুই বোনকে। যখন দুই জনেই বিয়ের জন্য যুবকদের জোর করে তখন তাঁদেরকে খুন করা হয়। পরে করিমউদ্দিন এবং আরিফকে ফোন করে প্রমাণ লুকানোর চেষ্টা করে। দুই বোনকে ঝুলিয়ে দিয়ে আত্মহত্যা প্রমাণের চেষ্টা করছিল তাঁরা।

ধর্ষণের পরেই হত্যা দুই দলিত বোনকে, রোমহর্ষক ঘটনা উত্তরপ্রদেশে

ধর্ষণের পরেই হত্যা দুই দলিত বোনকে, রোমহর্ষক ঘটনা উত্তরপ্রদেশে
ধর্ষণের পরেই হত্যা দুই দলিত বোনকে, রোমহর্ষক ঘটনা উত্তরপ্রদেশে

 

ঘটনায় যুবকদের বিরুদ্ধে অপরহণের অভিযোগ তুলেছেন মৃত কিশোরীদের মা। যদিও পুলিশের দাবি নিজের ইচ্ছেতেই গিয়েছিল দুই বোন। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার। পরিবারের তরফে সমস্ত রকম সহযোগিতা মিলেছে বলে দাবি করছেন তাঁরা।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত