প্রথম দফা ভোটে রেকর্ড অংশগ্রহণ, বাংলায় কোথাও পুনর্নির্বাচন নয়— জানিয়ে দিল কমিশন

বাংলার ১৬ জেলার ১৫২ আসনে প্রথম দফার ভোটে ৯০% ছাড়ানো অংশগ্রহণ, বিক্ষিপ্ত উত্তেজনা সত্ত্বেও কোনও বুথে পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজন দেখল না নির্বাচন কমিশন

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

রেকর্ড ভোটদান, লম্বা লাইন আর ছিটেফোঁটা উত্তেজনার মধ্যেই শেষ হয়েছিল প্রথম দফার নির্বাচন। সেই আবহে ২৪ ঘণ্টা পর বড় ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। বাংলার প্রথম দফার কোনও বুথেই পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজন পড়েনি। অর্থাৎ ১৫২টি আসনে হওয়া ভোটগ্রহণকে সম্পূর্ণ বৈধ বলেই মেনে নিয়েছে কমিশন।

প্রথম দফায় রাজ্যের ১৬টি জেলায় মোট ৪৪,৩৭৬টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়। ভোট শেষে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছিলেন, বিক্ষিপ্ত কিছু অশান্তির ঘটনা ছাড়া সামগ্রিকভাবে ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে। বুথ দখল বা ছাপ্পা ভোটের মতো গুরুতর অভিযোগও সামনে আসেনি। কমিশনের তরফেও সেই ছবিই তুলে ধরা হয়েছে—কোনও কেন্দ্রেই পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করা হয়নি।

একই দিনে তামিলনাড়ুতেও এক দফায় ২৩৪টি আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সেখানে ৭৫ হাজারের বেশি ভোটকেন্দ্রে ভোট হয়েছে, এবং সেখানেও কোনও বুথে পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজন হয়নি বলে জানানো হয়েছে।

ভোটের আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশন কড়া পদক্ষেপ নেবে। সেই মতো বুথে বুথে সিসিটিভি নজরদারি, কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন এবং কঠোর নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। কোনও অনিয়ম ধরা পড়লেই পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছিল।

যদিও ভোটের দিন বীরভূম, মুর্শিদাবাদ-সহ কয়েকটি জায়গায় উত্তেজনার খবর সামনে আসে, তবে তা বড় আকার নেয়নি। দিনশেষে ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে—যা রাজনৈতিক দলগুলির কাছেও ইতিবাচক বার্তা।

সব মিলিয়ে কমিশনের এই ঘোষণা স্পষ্ট করে দিল—প্রথম দফার ভোটগ্রহণ নিয়ে বড় কোনও প্রশ্ন নেই। এখন নজর দ্বিতীয় দফার দিকে, যেখানে একই রকম নির্বিঘ্ন ভোটের প্রত্যাশা করছে কমিশন।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত