বিগত কয়েক বছরে নির্বাচনে ভোটের বিনিময়ে টাকা কিংবা মদ দেওয়ার এক ট্রেণ্ড চলছে। কমিশনের নজর এড়িয়েই দুর্নীতি চালায় কিছু অসাধু মানুষ। চলতি বছর ভোটে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে তৎপর নির্বাচন কমিশন।
ভুটানে যাওয়ার জন্য পর্যটকদের গতবছর থেকে গুনতে হত অতিরিক্ত কর। এবার সেই তালিকায় নাম লেখাল দার্জিলিং। এবার দার্জিলিং যেতে হলেও পর্যটকদের গুনতে হবে বাড়তি টাকা। পুরসভার তরফ থেকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে।
এখন খুচরোর দেখা প্রায় পাওয়া যায় না বললেই চলে। সব জায়গায় চালু হয়ে গেছে অনলাইন পরিষেবা। বড় বড় রেস্টুরেন্ট হোক বা ক্যাফে, সেখানে তো দেদার অনলাইন বিনিয়োগ চলছেই। এছাড়া এখন মুদির দোকান, ফুচকার দোকান এমনকি সবজি বিক্রেতাদের কাছেও অনলাইনে লেনদেন করা যায়। বাজারে কয়েন অথবা খুচরো নিয়ে যে সমস্যা ছিল, মূলত তা মেটানোর জন্যই সব জায়গায় অনলাইন লেনদেন চালু করা হয়েছিল।
২০০০ টাকার নোট বদলের শেষ সময়সীমা ছিল চলতি বছরের 30 সেপ্টেম্বর। সেই সময় সীমা বাড়িয়ে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়েছিল। আজই ২০০০ টাকার নোট জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। তবে আজকের পর ও যদি নোট জমা দিতে না পারেন তাহলে কী করবেন? এই বিষয়ে বড় ঘোষণা করা হল রিসার্ভ ব্যাংকয়ের তরফ থেকে।
ফের স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে বেনিয়মের অভিযোগ উঠল। জানা গিয়েছে, রোগীর মৃত্যুর পরে মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে চিকিৎসাবাবদ লক্ষাধিক টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠল এক বেসরকারি নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে। যার ফলে ওই নার্সিংহোমের সামনে বিক্ষোভে সামিল হলেন রোগীর পরিজন। এই ঘটনায় রীতিমত উত্তেজনা ছড়াল বেসরকারি নার্সিংহোম চত্বরে। জানা যাচ্ছে, মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে নার্সিংহোমের সামনে বিক্ষোভ শুরু করলে পরে পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে চিকিৎসার বিল নেয়নি কর্তৃপক্ষ।
চরমে পৌঁছাল রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত! নিজের ইচ্ছে মত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ করে রাজ্যপাল বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে অসন্মান করা হচ্ছে বলেই দাবি করেছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। আর এবার এপ্রসঙ্গে মঙ্গলবার স্বয়ং মুখ খুললেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার শিক্ষাব্যবস্থার স্বার্থে রাজভবনের সামনে ধর্নায় বসার হুংকার দিলেন মমতা। শুধু তাই নয়, রাজ্যপালের কথা শুনে চললে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে ‘আর্থিক অবরোধ’ চলবে বলে ঘোষণা করলেন তিনি।