নজরবন্দি ব্যুরো: সংসদের বাদল অধিবেশনের শুরু থেকেই মণিপুর হিংসা নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধীরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিবৃতি দাবি করেছে তাঁরা। সংসদে আনা হয়েছে অনাস্থা...
উল্লেখ্য, এদিন রাজ্যসভার সাংসদ তৃণমূল নেত্রী সুস্মিতা দেব রাষ্ট্রপতির কাছে আরজি জানিয়েছেন, মণিপুরের দুই ভিন্ন সম্প্রদায়ের দু’জন সাহসী মহিলাকে (রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত) রাজ্যসভায় পাঠানো হোক। মণিপুরের মহিলাদের উপর সংঘটিত গুরুতর ক্ষতি সংশোধন করার জন্য একটি ছোট ব্যবস্থা হিসেবে এই পদক্ষেপের কথা বলেন তিনি।
মণিপুরের রাজ্যপাল অনুসূয়া উইকের সঙ্গে দেখা করলেন ‘ইন্ডিয়া’ জোটের প্রতিনিধিদল। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর নেতৃত্বে মোট ২১ জন সাংসদ রবিবার সকালে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি তুলে দিলেন।
বিরোধী জোটের নাম ‘ইউপিএ’ (UPA) থেকে পরিবর্তিত হয়ে ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA) হয়েছে, এ কথা কমবেশি সকলেরই জানা। এই নামটির সুপারিশ করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বেঙ্গালুরুতে ২৬টি বিরোধী দল সর্বসম্মতিক্রমে সেই নামেই স্বীকৃতি দেয়। আর এবার তৃণমূলের নকশাতেই পোস্টার তৈরি হল ‘ইন্ডিয়া’-র। তাহলে, স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, বিরোধী জোটে কী আধিপত্য বাড়ছে ঘাসফুল শিবিরের?
ইন্ডিয়া জোটের সাংসদদের প্রতিনিধি দল মণিপুরের রাজ্যপালের সঙ্গেও দেখা করার জন্য সময় চেয়েছে বলে জানান তিনি। রবিবার সকালে মণিপুরের রাজ্যপালের সঙ্গে বিরোধী সাংসদদের বৈঠক হতে পারে।
মণিপুর কান্ডের প্রতিবাদে রাস্তায় নামল তৃণমূলের মহিলা ব্রিগেড। শুক্রবার ওয়েলিংটন থেকে প্রতিবাদ মিছিল শুরু হয়। মিছিল চলবে ধর্মতলা পর্যন্ত। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন আইন ও স্বাস্থ্য মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, মহিলা ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। আগামী ১ মাস ধরে এই কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছে তৃণমূল।
মণিপুর ইস্যু নিয়ে বাদল অধিবেশনের প্রথম সপ্তাহেই লোকসভা ও রাজ্যসভা সরগরম করেছিল নবগঠিত বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। আর এবার জাতিগত হিংসায় উত্তপ্ত উত্তর-পূর্বের রাজ্যের পরিস্থিতি দেখতে সরাসরি ২৬ দলের প্রতিনিধিদলকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল বিরোধী জোট।