কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র বলেন, "আই অ্যাম ভেরি হ্যাপি। যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া ভোট করতাম, তাহলে বলত ফাঁকা মাঠে গোল দিল, আমাদের থাকতে দিল না।" এখানেই শেষ নয়! বিজেপি যদি ৬৫ হাজার মনোনয়ন জমা দিতে না পারত তাহলেও তৃণমূলের ঘাড়েই দোষ ফেলত বলে দাবি তৃণমূল নেতার।
রাজ্য পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পরই কলকাতা হাইকোর্টে কয়েকটি মামলা দায়ের হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার দাবি জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম কেবল স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে নয় গোটা রাজ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার নির্দেশ দেন।
আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন! একদিকে পঞ্চায়েতের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই ময়দানে নেমে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। অন্যদিকে, মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রথম দিন থেকেই বাংলার একাধিক প্রান্ত থেকে উঠে আসছে অশান্তির খবর। সব মিলিয়ে রীতিমত উত্তপ্ত রাজনীতি! এহেন পরিস্থিতিতে ফের বিস্ফোরক মন্তব্য করেলেন তৃণমূল সাংসদ মদন মিত্র। বললেন, "পঞ্চায়েতে অন্যদলের প্রার্থী হয়ে জিতলেও যোগ দেবে সেই তৃণমূলেই!"
এবার বোমা উদ্ধার থেকে শুরু করে একের পর এক বিস্ফোরণের ঘটনায় মুখ খুললেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রও। এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে নাম না করে মদন মিত্র বলেন, "২৯৪ সিট। এক লক্ষের উপর পঞ্চায়েত। তাতে দু'চারটে পটাকা বাজি ফাটবে না কালিপুজো হবে? এমনটা হয় নাকি।"
মদন মিত্র বলেন, “আগে কিছু হলেই আমরা বলতাম, অর্জুন সিং আর বিজেপি গুলি চালাচ্ছে, গণ্ডগোল করছে। কিন্তু এখন তো অর্জুন সিং আমাদের সঙ্গে। ফলে এই মুহূর্তে, অর্জুন সিং গুলি চালাচ্ছে এটা তো আমি বলতে পারছি না। বললে তো থুতু আমার গায়েই পড়বে। কারণ, আমার দল তাঁকে গ্রহণ করেছে।" কামারহাটির বিধায়ক আরও বলেন, "অর্জুন সিং একটা কথা বললে সেটির বিরোধিতা করার ক্ষমতা বা অধিকার আমার নেই। কারণ আমি মুখপাত্রও নই, সাংসদও নই।”
ছবির পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী। এক চালকলের মালিকের চরিত্রে দেখা যাবে মদন মিত্রকে। এই ছবিতে অভিনয় করছেন খরাজ মুখোপাধ্যায়, লাবণী সরকার, রাজনন্দিনী দত্ত সহ প্রমুখ। মদন মিত্রর মেয়ের চরিত্রে দেখা যাবে রাজনন্দিনীকে। তাঁর এই ছবি নিয়ে বেশ আগ্রহী দর্শকরা।