সরকারি প্রকল্প পাইয়ে দেওয়ার নামে। দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের উচিত, আরও নজর দেওয়া," বলেন মদন। তিনি নিজেও এই বিষয়টি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য তুলে ধরেছেন।
পাশাপাশি মিডিয়াকেও দূষেছেন সৌগত রায়। তাঁর প্রশ্ন, মিডিয়ার কাছে তো সব খবর থাকে। তাহলে কেন জয়ন্ত গ্রেপ্তারের আগে কেন সংবাদমাধ্যম কিছু জানতে পারেনি। তবে তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, যা ভুল হয়েছে। তা সংশোধন করা হবে।
কামারহাটির প্রসঙ্গ টেনে হুমকি দেওয়া হয় তাঁকে। প্রায় ৪৬ সেকেন্ড ধরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে কথা হয় মদন মিত্রের। শুধু তাই নয় ওই নম্বর থেকে দুবার ফোন এসেছিল বলে জানান তিনি। মাঝরাতের পর বৃহস্পতিবার সকাল ৭ টা ৩৮ মিনিটেও ফোন আসে ওই ব্যক্তির।
সোহম ও দেব ইন্ডাস্ট্রির মানুষ। দু'জনের পেশাও এক। রাজনৈতিক আদর্শও এক। দেব ও সোহম বন্ধুও বটে। তবু, মারপিটকাণ্ডে সোহমের সমালোচনা করে দেব বলেন, "সোহম আমার বন্ধু। আমার ওর সঙ্গে কথাও হয়েছে। কিন্তু, একজন জনপ্রতিনিধি হিসাবে সে ঠিক কাজ করেনি। শুধু জনপ্রতিনিধি হিসাবে কেন, একজন মানুষ হয়ে আর এক জন মানুষকে মারধর করা উচিৎ নয়। সোহমের সংযত থাকা উচিৎ ছিল।"
গত ৪ ডিসেম্বর শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে এসএসকেএমে ভর্তি করানো হয় মদন মিত্রকে। হাসপাতালে থাকাকালীনই বাঁ কাঁধের হাড় ভেঙে যায় তাঁর। গত ১৩ ডিসেম্বর এসএসকেএম-এই অস্ত্রোপচার হয়। ২৬ ডিসেম্বর সেখান থেকে ছুটি পান।
তাঁর শারীরিক অবস্থা ভাল না বলে জানা গিয়েছে। ভুল বকছেন,বারবার জ্ঞান হারাছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। এক কোথায় এই মুহূর্তে শারীরিক অবস্থা খুব একটা ভাল নেই মদন মিত্রের।