পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ৫ দিনের জেলা সফরে বেরিয়েছেন বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। আসানসোলে বিজেপির পার্টি অফিসে জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক সারেন তিনি। এরপরেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বিশেষ ঘোষণা করে বসলেন বিজেপি নেতা। এদিনের সভা থেকে মহাজোটের ডাক দিলেন মিঠুন।
এদিন আব্বাসের মন্তব্য, কখন কোন দিকে হাওয়া ঘুরবে সেটাই বুঝতে পারছি না। তবে কী তৃণমূলের সঙ্গে জোটের রাস্তা খুলে দেওয়ার কথা জানালেন তিনি? ইতিমধ্যেই সেই প্রশ্ন মাথাচাড়া দিতে শুরু করেছে। যদিও এই বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ রাজ্যের শাসক দল। তবে আব্বাসের কথায়, রাজনীতি তিনি দেখছেন না। সেটা আইএসএফের চেয়ারাম্যান নওশাদ সিদ্দিকি একাই সিদ্ধান্ত নেবেন।
বিরোধী শিবিরে ক্রমাগত জোরালো হচ্ছে বাম এবং কংগ্রেস জোটের প্রসঙ্গ। বিধানসভা নির্বাচনের মতো পঞ্চায়েত নির্বাচনেও কী জোট করবে বাম এবং কংগ্রেস? বাকি এককভাবে লড়বে দুই পক্ষ। স্পষ্ট করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
নিয়োগে অস্বচ্ছতার কারণে বারবার বঞ্চিত হয়েছেন চাকরি প্রার্থীরা। তাই তিন দফায় চাকরি প্রার্থীদের ৬০০ দিন ধরে আন্দোলন। আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন এসএলএসটি নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর চাকরি প্রার্থীরা। শুক্রবার তাঁদের ধর্নামঞ্চে উপস্থিত হলেন বাম নেতৃত্ব।
আজ অবধি মিথ্যা নাটক করে দলীয় নেতৃত্বের কাছে ভালো সেজে, একটা মেকি লিডার হতে চাইনা আমি। নাহলে কবেই টা টা বাই বাই করে দল ছেড়ে চলে যেতাম আমি। আমার মতো অবিভক্ত যুব কংগ্রেসের আমল থেকে যারা আছে , তারা আদৌ কোনও গুরুত্ব পাচ্ছে কি বর্তমানে.....?? তাই আর কি, আমার যাবার সময় হল, দাও বিদায়!
শুক্রবার সিজিও কমপ্লেক্স অভিযানের ডাক দিয়েছে বামেরা। কিন্তু মেলেনি পুলিশের অনুমতি। যা ঘিরে চড়েছে রাজনৈতিক পারদ। এমনকি সিজিও কমপ্লেক্সের সামনে মঞ্চ বাঁধার অনুমতি চাইলে পুলিশ অনুমতি দেয়নি বলে অভিযোগ। বাঁধতে দেওয়া হল না মঞ্চের ব্যাকড্রপ, ছোট মঞ্চ থেকেই সুর চড়াতে চায় বামেরা।
আনিসকাণ্ডে চাই সিবিআই তদন্ত। এই দাবিতে ফের পথে নামতে চলেছে সিপি(আই)এমের যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই। আনিসের পরিবারকে বিচার পাইয়ে দিতে এবার রাজ্যজুড়ে সই সংগ্রহ এবং বিক্ষোভে নামতে চলেছে ডিওয়াইএফআই। তাঁদের বক্তব্য, আনিসের মৃত্যুর জন্য পুলিশ দোষী। তাঁদের শাস্তি দিতে হবে।