এছাড়া, এই প্রকল্পে পানীয় জল, বিদ্যুৎ সংযোগ, রাস্তা এবং নিকাশি ব্যবস্থা সহ যাবতীয় খরচ রাজ্য সরকার বহন করবে। রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে বস্তিবাসীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ভিনরাজ্যের বাসিন্দাদের দখলে চলে যাচ্ছে কলকাতার ফুটপাথ, এ নিয়ে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও সরব হতে দেখা গিয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর কলকাতা পুরসভার ১৫০ জন পুরকর্মীকে হকার সমীক্ষার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। সমীক্ষার কাজ করতে এক একটি হকার জোনে ১০টি করে দল নামে। প্রতিটি দলে ছিল চার-পাঁচ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মী। মোট ৪০টি এমন দল বিভিন্ন এলাকায় কাজ করেছে।
এক বছরের বেশি সময় হয়ে গেলেও এখনও অনেকেই সেই নিয়ম মানছেন না। একই বালতি কিংবা ডাস্টবিনে বর্জ্য-আবর্জনা ফেলছেন। এনিয়ে বেজায় ক্ষুব্ধ কলকাতা পুরসভা। কড়া পদক্ষেপ করতে পারে পুরসভা কর্তৃপক্ষ। এখনই সতর্ক হন।
জাতীয় সরোবরকে দূষণের হাত থেকে বাঁচাতে এই উদ্যোগ নিয়েছে কলকাতা পুরসভা ও জাতীয় পরিবেশ আদালত। ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে পুরসভা। ছট পুজো না করার আবেদন জানিয়ে সরোবরের চার পাশে পোস্টার ও ব্যানার টাঙানোর কাজ শুরু হয়েছে।