HomeTagsKolkata High Court

Kolkata High Court

স্বেচ্ছায় সহবাস কি ধর্ষণ? কী বলল কোলকাতা হাইকোর্ট

সুপ্রিম কোর্টের রায়ের উদাহরণে বলা হয়েছে, ধর্ষণ ও সম্মতিমূলক যৌনতায় পরিষ্কার পার্থক্য রয়েছে। যৌন সম্পর্কের জন্য শুধুমাত্র প্রতিশ্রুতিই কারণ হলে তাকে ধর্ষণ বলা যাবে না। একজন সাবালিকা নারী সম্পর্কের পরিণতি সম্পর্কে অবগত থেকে সম্মত হলে আইনত ধর্ষণ মামলা চলা উচিত নয়।

এবার কি করবে রাজ্য? ‘থ্রেট কালচার’ নিয়ে হলফনামা চাইল কলকাতা হাইকোর্ট

এই পরিস্থিতিতে আরজিকর মামলার পাশপাশি এবার এই পরিস্থিতিতেই হাইকোর্টে দায়ের করা হয়েছে একটি জনস্বার্থ মামলা। বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি বিভাস পট্টনায়েকের ডিভিশন বেঞ্চে উঠেছে এই মামলা।

বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকরা স্কুলে ফিরছেন কাল থেকে, হাইকোর্টে CBI সংক্রান্ত বিরাট আপডেট

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী যে ৯৪ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। সেই ৯৪ জন আগামীকাল, ১ আগস্ট ২০২৪ থেকে ফের ফিরতে চলেছেন নিজ নিজ স্কুলে। এই শিক্ষকদের সবাই চাকরি পেয়েছিলেন ২০১৪ সালে।

ডায়মন্ড হারবারে পুনর্নির্বাচনের দাবি, আদালতের পথে বিজেপি-র পরাজিত প্রার্থী ববি

ভোট শেষ হওয়ার পরে বিজেপি প্রতিনিধি দল ডায়মন্ড হারবার গেলে সেখানে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তাদের। কিন্তু দলের তরফ থেকে মনে করা হয় এই বিক্ষোভ করিয়েছিলেন ববি। আর সেই কারণে তাকে দলের তরফ থেকে শোকজও করা হয়। আর এবার সেই ববি পুনর্নির্বাচনের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হলেন।

মারপিট কাণ্ডে আরও বিপাকে সোহম, এবার হাইকোর্টে গেলেন রেস্তরাঁ মালিক

যদিও পরে তিনি এ ব্যাপারে ক্ষমা চান।সোহমের কীর্তির নিন্দা করেছেন তারই দলের সাংসদ দেব। তিনি বলেছেন, ‘সোহমের ক্ষমা চাওয়া উচিৎ’। সব মিলিয়ে এই ঘটনা এখন উচ্চআদালতের দরজায়।

এবার যোগ্য চাকরি প্রার্থীদের কী হবে? জানার অপেক্ষায় বঞ্চিতরা

কিন্তু এবার প্রশ্ন তুলেছে দীর্ঘ দিন ধরেই চাকরির দাবিতে কলকাতার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, অযোগ্যদের চাকরি বাতিল হল, কিন্তু যোগ্য চাকরিপ্রাপকদের কী হবে? তাই আদালতের পরবর্তী নির্দেশের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন তাঁরা।

অবশেষে স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণার দিন ঠিক হল

কলকাতা হাইকোর্ট যাতে ৬ মাসের মধ্যে নিয়োগ সংক্রান্ত সব মামলার নিষ্পত্তি করে, সেই নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি অনিরুদ্ধ বোস এবং বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদীর ডিভিশন বেঞ্চে ছিল নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি। সব মামলাই হাইকোর্টে পাঠিয়ে দিয়েছিল শীর্ষ আদালত।

Trending Now