কসবা ল কলেজে গণধর্ষণের ঘটনার স্বচ্ছ তদন্ত ও ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করলেন তিন আইনজীবী। শুনানি হতে পারে বৃহস্পতিবার।
কিন্তু বর্তমানে তিনি বিজেপির অন্যতম প্রভাবশালী নেতা। এর মধ্যে তার বিতর্কিত মন্তব্য এবং জনসমক্ষে তার ভাষা রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে কলকাতা হাই কোর্টের রায়ের পর তার বিরুদ্ধে কোনো পুলিশি পদক্ষেপ আপাতত বন্ধ থাকবে।
কিন্তু পরে রাজনৈতিকভাবে তিনি বিচ্ছিন্ন হয়ে যান। তবে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এখনও অটুট রয়েছে। শোভন এবং রত্নার বিবাহবিচ্ছেদ মামলার পাশাপাশি, শোভনের বৈশাখী রায়ের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও বহু জল্পনা রয়েছে।
হাই কোর্ট রাজ্য সরকারকে নির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে এবং জানিয়েছে, আগামী ৪ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। আদালত রাজ্য সরকারকে কমপক্ষে ৫০ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার জন্য তৎপর হতে বলেছে, যেখানে চুক্তিভিত্তিক কর্মী না রেখে স্থায়ী কর্মী নিয়োগ করা হবে।
কিছুদিন আগে, কলকাতা শহরের রাস্তায় ট্রাম ফিরিয়ে আনার দাবিতে একটি নাগরিক সংগঠন কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে। মামলাকারী পক্ষের অভিযোগ ছিল, খিদিরপুর, কালীঘাট, ভবানীপুর, এবং জাজেস কোর্টের ট্রামলাইন পিচ দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে, যাতে রাস্তায় ট্রাম চলতে না পারে।
কলকাতা হাইকোর্টের এই মন্তব্য নাগরিকত্ব এবং অনুপ্রবেশের বিষয়ে একটি বড় সতর্কতা সঙ্কেত। এটি দেশের নথি ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব এবং অনুপ্রবেশকারীদের প্রতিরোধের ক্ষেত্রে আরও কঠোর মনোভাবের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে।