ধাক্কার জেরে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের একাধিক কামরা মালগাড়ির ইঞ্জিনের উপর উঠে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ১১ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি আহত হন প্রায় ৫০। এরপরই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে রেলের গাফিলতি নিয়ে।
কিন্তু, এভাবে চালকের নামে দোষ গিয়ে গা বাঁচাতে চাইছে রেল এরকম প্রশ্নও তুলছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অ্যান্টি কলিশন ডিভাইস নিয়ে সরব হয়েছেন। লাগাতার এত দুর্ঘটনার পর এমন কোনও সিস্টেম কেন নেই যে একই লাইনে দু'টো ট্রেন চলে আসছে? দিনের পর দিন ভাড়া বাড়ছে দুরপাল্লার ট্রেনের। সেখানে যাত্রী সুরক্ষা যে আরও মজবুত করা দরকার তা বলাই বাহুল্য।
ফাঁসিদেওয়ার রাঙাপানি স্টেশনের কাছে সকাল ৮টা ৫০ মিনিট নাগাদ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে ধাক্কা মারল একটি মালগাড়ি। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের। আহত বহু। এখনও চলছে উদ্ধারকাজ।
সোমবার সকালবেলা ভয়ঙ্কর ট্রেন দুর্ঘটনা রাজ্যে। ফাঁসিদেওয়ায় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে ধাক্কা মারল একটি মালগাড়ি। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের। আহত বহু।