অবশেষে সমস্ত বাধা কাটিয়ে উত্তরবঙ্গ হাসপাতালে পৌঁছেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের সঙ্গে মালগাড়ির ধাক্কা লেগে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। আহতও হয়েছেন বহু। তাঁদের সঙ্গেই দেখা করতেই উত্তরবঙ্গ হাসপাতালে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। আরও আগেই উত্তরবঙ্গে পৌঁছতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বিমান সমস্যা থাকায় তা সম্ভব হয়নি। মমতা খোঁজ নিয়েছেন আহতদের, কথা বলেছেন চিকিৎসকদের সঙ্গেও।
নিজের রেলমন্ত্রী ছিলেন দীর্ঘদিন। ফলে এই দুর্ঘটনার পরেই কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রকে নিজের নিশানায় নেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, যে অ্যান্টি কলিশন ডিভাইস তিনি চালু করেছিলেন, তা আজও কেন কার্যকর করতে পারেনি রেল? কেন্দ্র সরকারের উদাসীনতাতেই আজ রেলের এই অবস্থা বলেই দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি, তাঁর বিমান বিমান বিভ্রাট নিয়েও যাবার আগে সরব হন মমতা। জানিয়েছেন, আজ তিনি যাবেন কোচবিহারে। সেখানে কিছু কাজ রয়েছে। ফিরবেন মঙ্গলবার বিকেলে।

এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা কেন হল তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। রেল সূত্রে খবর, সিগন্যালিং সিস্টেমে সমস্যার কারণেই কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের সঙ্গে মালগাড়ির সংঘর্ষ হয়। সিগন্যাল ফেল করেই মালগাড়িটি ধাক্কা মারে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে। মালগাড়ির ধাক্কায় ট্রেনের পার্সেল ভ্যান মালগাড়ির ইঞ্জিনের ছাদে উঠে যায়। পিছনের কামরাটি দুমড়ে মুচড়ে যায়।
বিমান-বিভ্রাট কাটিয়ে উত্তরবঙ্গ হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী, খোঁজ নিলেন রেল দুর্ঘটনায় আহতদের

ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। এই দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে দেওয়া হবে ১০ লক্ষ টাকা, গুরুতর আহতদের দেওয়া হবে আড়াই লক্ষ টাকা এবং তুলনায় কম আহতদের দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা, ঘোষণা করেছে রেলমন্ত্রক।










