মুখ্যমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে শনিবার সন্ধ্যায় কালীঘাটে যান তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুজনের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ কথা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।
একুশে জুলাইয়ের সকালে আচমকাই মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে ভুয়ো পুলিশের পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তাঁর কাছ থেকে মাদক সহ ধারাল অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। কেন ওই ব্যক্তি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন, জেরায় নিজেই জানালেন ধৃত। এই ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
অনুষ্ঠানে অতিথির আসনে বসেই সুকান্ত ও দেবকে বেশ খোশ মেজাজেই কথা বলতে দেখা যায়। তাঁদের এই ঘনিষ্ঠতা নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠছে। বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেস- বাংলার এই দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দলের প্রতিনিধি একে অপরকে হাসিমুখে কথা বলতে দেখে নানা জল্পনা তুলছে নেটিজেনরা।
আজ বুধবার সন্ধ্যেয় হ্যারিকেন মিছিল করার আবেদন করেছিলেন গ্রুপ ডি চাকরিপ্রার্থীরা। কিন্তু প্রথমে পুলিশ সেই মিছিলের অনুমতি দেয়নি। আর পুলিশের অনুমতি না পেয়ে অবশেষে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন চাকরিপ্রার্থীরা। এরপরেই হরিশ মুখার্জী রোডে হ্যারিকেন মিছিলের অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। গত সোমবার এই মামলার শুনানি হয়। তবে শর্তসাপেক্ষে এই মিছিলের জন্য অনুমতি দিয় কলকাতা হাইকোর্ট।
আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির আশেপাশে ২ মাসের জন্য জারি ১৪৪ ধারা। কালীঘাটের বেশ কিছু এলাকায় আপাতত দুই মাসের জন্য জারি থাকবে এই নির্দেশিকা। এমনটাই জানালেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত কুমার গোয়েল। আপাতত ওই এলাকা দিয়ে গাড়ি যাতায়ত করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।