নজরবন্দি ব্যুরো: একুশে জুলাইয়ের সকালে আচমকাই মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে ভুয়ো পুলিশের পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তাঁর কাছ থেকে মাদক সহ ধারাল অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। কেন ওই ব্যক্তি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন, জেরায় নিজেই জানালেন ধৃত। এই ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
আরও পড়ুন: মন্ত্রিসভার বৈঠকের দিনেই বিধানসভার অধিবেশন শুরু, অনুমোদন মিলল রাজ্যপালের


২১ জুলাই উপলক্ষে গতকাল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে নিরাপত্তা অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ধর্মতলায় ভিড় জমিয়েছিল। তাঁদের অনেকেই কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির ছবি তুলছিলেন। সকাল সাড়ে ১০ টা নাগাদ হরিশ চট্টোপাধ্যায়ের রাস্তার মুখে একটি প্রাইভেট গাড়িকে আটকায় পুলিশ। নূর আমিন নামের ওই ব্যক্তি নিজেকে পুলিশ হিসেবে পরিচয় দেয়। কিন্তু তাঁর কাছে বিশ্বাসযোগ্য কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এরপরই তাঁকে আটক করে কালীঘাট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে ধৃতের গাড়ি থেকে কয়েকটি অস্ত্র সহ মাদক উদ্ধার করা হয়। জেরায় এক তরুণীর নামও উঠে এসেছে বলে খবর।

ধৃত ব্যক্তি পুলিশি জিজ্ঞসাবাদে জানিয়েছে, তার পুলিশ হওয়ার ইচ্ছা। নিজেকে একজন পুলিশ আধিকারিক হিসেবে ভাবতেই ভালবাসে। অনেক দিন ধরেই নিজেকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে এলাকায় ঘুরতেন নূর। গাড়িতেও তাই পুলিশের স্টিকার লাগানো ছিল। জেরায় ওই ব্যক্তি আরও জানায়, মুখ্যমন্ত্রীকে নিরাপত্তা দিতেই গতকাল তাঁর বাড়ির সামনে গিয়েছিলেন নূর আমিন।



উল্লেখ্য, গতবছর ২ জুলাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে রাতের অন্ধকারে ভিতরে ঢুকে পড়ে এক যুবক। সকালে তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়। গোটা রাত বাড়ির ভিতরেই লুকিয়ে ছিল ওই যুবক। এরপর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদের বাসিন্দা হাফিজুল মোল্লা। পুলিশ সূত্রে খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির দক্ষিণ দিকে কনফারেন্স হলের পিছনের দিকে সে লুকিয়ে ছিল। তার কাছ থেকে একটি লোহার রড পাওয়া গিয়েছিল।
‘মুখ্যমন্ত্রীকে সুরক্ষা দিতে গিয়েছিলাম’, জেরায় দাবি নূর আমিনের









