নজরবন্দি ব্যুরো: সকাল থেকেই গোটা বাংলার নজর রয়েছে ধর্মতলায়। তৃণমূলের শহীদ দিবস উপলক্ষে জনজোয়ার শহরের রাস্তায়। নিরাপত্তায় মুড়ে গিয়েছে সভাস্থল। কিন্তু এদিকে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে পুলিশের ভুয়ো পরিচয় দিয়ে আটক এক ব্যক্তি। তাঁকে ইতিমধ্যেই কালীঘাট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর।
আরও পড়ুন: গতবারেও তাঁর কাঁধে ছিল গুরুদায়িত্ব, সেই পার্থকে ছাড়াই প্রথম ২১ জুলাই তৃণমূলের


জানা গিয়েছে, ২১ জুলাই উপলক্ষে আজ মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে নিরাপত্তা অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে। এদিন হরিশ চট্টোপাধ্যায়ের রাস্তার মুখে একটি প্রাইভেট গাড়িকে আটকায় পুলিশ। এক ব্যক্তি নিজেকে পুলিশ হিসেবে পরিচয় দেয়। তাঁর কাছ থেকে কাগজপত্র চাওয়া হলেও বিশ্বাসযোগ্য কোনও প্রমাণ দেখাতে পারেননি। এরপরই তাঁকে আটক করে কালীঘাট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত ব্যক্তি নুর আলমের তল্লাশি চালিয়ে একটি ভুয়ো পরিচয়পত্র পাওয়া গিয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। গত বছর এই জুলাই মাসেই এক অজ্ঞাতপরিচয় যুবক মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ঢুকে পড়ে। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
গত বছর ২ জুলাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে রাতের অন্ধকারে ভিতরে ঢুকে পড়ে এক যুবক। সকালে তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়। গোটা রাত বাড়ির ভিতরেই লুকিয়ে ছিল ওই যুবক। এরপর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদের বাসিন্দা হাফিজুল মোল্লা। পুলিশ সূত্রে খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির দক্ষিণ দিকে কনফারেন্স হলের পিছনের দিকে সে লুকিয়ে ছিল। তার কাছ থেকে একটি লোহার রড পাওয়া গিয়েছিল।



এই ঘটনার তদন্তে সিট গঠন করা হয়। কয়েকদিনের মধ্যেই কলকাতার পুলিস কমিশনারের কাছে তথ্য-প্রমাণ-সহ রিপোর্ট জমা দেয় সিট। সেইসময় তদন্ত জানা যায়, আগেও একাধিকবার হাফিজুল মমতার বাড়ির রেইকি করেছিল। ওই যুবকের কাছে ১১ টি সিম কার্ড ছিল যেগুলি ব্যবহার করে বাংলাদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ডে ফোন করত।
২১ জুলাইয়ের সকালে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে চাঞ্চল্য! ভুয়ো পুলিশ সন্দেহে আটক ১









