বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ও বিচারপতি সৌমেন সেনের মধ্যে ঘটে গিয়েছে বেনজির সংঘাত। এমন আবহে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) বিচার্য বিষয় বদল করা হল। প্রাথমিক শিক্ষা সংক্রান্ত সমস্ত মামলা সরল বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চে।
সোমবার সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, মূল যে মামলা নিয়ে সংঘাত তৈরি হয়েছে তা হাইকোর্ট থেকে সরে সুপ্রিম কোর্টে যাবে। আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে মামলার সব পক্ষকে নিজেদের বক্তব্য জানাতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
এই মামলার তদন্তভার সিবিআই-কে দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এরপর সৌমেন সেন এবং উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ সেই নির্দেশে অন্তর্বর্তী স্থগতাদেশ দেয়। শেষমেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দিলেন, মেডিক্যালে ভর্তি দুর্নীতি মামলার তদন্ত করবে সিবিআই-ই।
ইতিমধ্যেই ইতশা সোরেন কে ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজে যাতে ভর্তি করা হয় সেই সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের তরফে। ঘটনার প্রবাহ ধারা দেখে ওয়াকিবহল মহলের প্রশ্ন... এবার কি তাহলে অর্থের বিনিময়ে ডাক্তারি পড়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে?
বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় মনে করেন, এটি জনস্বার্থ মামলা হিসাবে গন্য করা উচিত এবং প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চেই এই মামলার শুনানি হওয়া উচিত। এই জন্যই তিনি এই মামলাটি ছেড়ে দিলেন।
সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মামলা শুনতে রাজি হয়েছে শীর্ষ আদালত। আজই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে অভিষেকের মামলা শুনানি কবে হবে?