যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনা পেরিয়েছে ২১ দিন। অথচ এখনও সিসিটিভি বসানো নিয়ে কার্যকরী সিদ্ধান্ত নিতে পারল না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজও ছাত্র সংগঠন, অধ্যাপক, গবেষক, কর্মী এবং কর্তৃপক্ষের মধ্যে একটি বৈঠক হয়। কিন্তু সেখানেও চূড়ান্ত করা যায়নি ক্যামেরা বসানোর দিনক্ষণ।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার মৃত্যুতে মোট ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যাদের মধ্যে তিন অভিযুক্ত বুধবার জামিন পেলেন। এই তিনজন হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী জয়দীপ ঘোষ এবং দুই সিনিয়র দীপশেখর দত্ত এবং মনোতোষ ঘোষ। আসলে এই তিনজনের বিরুদ্ধে পুলিশকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ছিল। সেই পুলিশকে বাধা দেওয়ার মামলাতেই জামিন পেলেন এরা। তবে আপাতত জেল থেকে ছাড়া পাবেন শুধুমাত্র যদি জয়দীপ। বাকি দু'জনকে এখনও থাকতে হবে জেল হেফাজতেই।
সূত্রে খবর, প্রায় ৩৭ লক্ষ টাকা খরচ করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি ক্যাম্পাস ও হস্টেল মিলিয়ে মোট ২৬ টি জায়গায় সিসি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ইতিমধ্যেই ওয়েবেল টেকনোলজি লিমিটেডকে (WTL) অর্ডার পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এই সভার মূল বক্তা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের 'সেকেন্ড ইন কমান্ড' সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। টিএমসিপির (TMCP) সভামঞ্চের থিম হবে 'অ্যান্টি র্যাগিং'।
এই নিয়ে তিন বার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষকে নোটিস পাঠাল শিশু সুরক্ষা কমিশন। এর আগে দু’বার চিঠি পাঠিয়ে হস্টেলের আবাসিকদের সংখ্যা থেকে শুরু করে অ্যান্টি র্যাগিং কমিটি সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে পাঠায় কমিশন। জবাবে বিশ্ববিদ্যালয় যে তথ্য দিয়েছে তাতে খুশি নয় শিশু সুরক্ষা কমিশন। সেই কারণেই কর্তৃপক্ষকে তৃতীয় চিঠি পাঠানো হল।
'পিক অ্যান্ড চুজ' করে মারা হয়েছে প্রথম বর্ষের ছাত্রকে, শুক্রবার আদালতে সেরকমই দাবি পুলিশ পক্ষের আইনজীবির। আজ যাদবপুরকাণ্ডের 'কিংপিন' সৌরভ চৌধুরীকে আদালতে হাজির করানো হয়। সেখানেই আগামী ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সৌরভকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আলিপুর আদালত। জেলে গিয়ে পুলিশ সৌরভকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে বলেও জানিয়েছে আদালত।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনা পেরিয়েছে ১৫ দিন। অথচ এখনও পর্যন্ত ক্যাম্পাসে সিসিটিভি বসানোর কাজই শুরু হল না! এই নিয়ে বারংবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু জানালেন, বৃষ্টিবাদলের জন্য কাজ পিছিয়ে যাচ্ছে। রেজিস্ট্রার যেভাবে আবহাওয়ার দোহাই দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে গেলেন তা নিয়ে ক্ষুব্ধ অনেকেই।