যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের নিহত ছাত্রের নামে হাসপাতালের নামকরণ হোক তা একেবারেই চাইছেন না বগুলাবাসী। বুধবার সকাল থেকেই বগুলা গ্রামীণ হাসপাতালের সামনে তুমুল উত্তেজনা। হাসসপাতালের নতুন নাম গোবর এবং রঙ দিয়ে ঢেকেও দিলেন তাঁরা। তাঁদের বক্তব্য, বগুলার ঐতিহ্যকে কোনোভাবেই বদলানো যাবে না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করেছিল। ঘটনার প্রায় এক মাসের মাথায় যাদবপুরকাণ্ডে ৪ জন বর্তমান পড়ুয়াকে বহিষ্কারের সুপারিশ করল কমিটি। পাশাপাশি ২৫ জনকে হোস্টেল থেকে বের করে দেওয়ারও সুপারিশ করা হয়েছে।
আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমস্ত প্রাক্তনীদের হস্টেলের ঘর খালি করতে হবে। শুধু তাই নয়, যাতে সমস্ত প্রাক্তনীরা হস্টেলের ঘর খালি করে সেই দিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকেই দায়িত্ব নিতে হবে। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানালেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। এছাড়াও মঙ্গলবার হাইকোর্টের পক্ষ থেকে রাজ্যকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে ছাত্র সংসদের নির্বাচনের পাশাপাশি র্যাগিং- বিরোধী ব্যবস্থাও নিতে হবে।
ইউজিসি দফায় দফায় চিঠি পাঠিয়ে রিপোর্ট তলব করেছে কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে পাঠানো রিপোর্টে সন্তুষ্ট নয়। তাই এবার তাদের একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যের আস্তে চলেছে। সব ঠিক থাকলে আগামীকালই একটি প্রতিনিধি দল এসে পৌঁছাবে।
ছাত্রমৃত্যুর ঘটনা ২১ দিন পেরোলেও এখনও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে সিসিটিভি ক্যামেরা বসল না। শুধুই দফায় দফায় বৈঠক চললেও রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু থেকে শুরু করে নয়া উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ কেউই এখনও নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না যে কবে সিসিটিভি ক্যামেরা বসবে।