নজরবন্দি ব্যুরো: ‘পিক অ্যান্ড চুজ’ করে মারা হয়েছে প্রথম বর্ষের ছাত্রকে, শুক্রবার আদালতে সেরকমই দাবি পুলিশ পক্ষের আইনজীবির। আজ যাদবপুরকাণ্ডের ‘কিংপিন’ সৌরভ চৌধুরীকে আদালতে হাজির করানো হয়। সেখানেই আগামী ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সৌরভকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আলিপুর আদালত। জেলে গিয়ে পুলিশ সৌরভকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে বলেও জানিয়েছে আদালত।
আরও পড়ুন: যাদবপুরে CCTV নিয়ে টালবাহানা, বৃষ্টিবাদলে কাজ পিছোচ্ছে সাফাই রেজিস্ট্রারের


এর আগে একাধিকবার আদালতে তোলার আগে নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছিলেন সৌরভ চৌধুরী। আজ আদালতে প্রবেশের মুখে যদিও মুখ খোললনি তিনি। পুলিশের তরফে সৌরভকে আগেই ‘কিংপিন’ বলে ঘোষণা করা হয়। যার অর্থ তিনিই এই র্যাগিংয়ের মূল পাণ্ডা। এবার ‘পিক অ্যান্ড চুজ’ করে মারা হয়েছে প্রথম বর্ষের ছাত্রকে, শুক্রবার আদালতে সেরকমই দাবি পুলিশ পক্ষের আইনজীবির। এর অর্থ কী?
![]()
আসলে সবাইকে এত চাপ দিয়ে থাকেন না সৌরভ অ্যান্ড কোং। তাঁরা বুঝতে পারেন কোন ছাত্র শান্ত বা কাকে উস্কে দিলে তাঁরা আরও মজা লুটতে পারবেন। সেভাবেই কোনও কারণে যে ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে তাঁকে দেখে বা তাঁর সাথে আলাপে সৌরভরা মনে করেছিলেন, একে নিয়ে মজা করা যায়! তাই অত্যাচারের পরিমাণও বাড়াতে থাকেন তাঁরা। পুলিশের সন্দেহ সেরকমই। অর্থাৎ, একেবারে বেছে নিয়ে সেই ছাত্রের সঙ্গে র্যাগিং করা হয়েছিল। যদিও আদালতে সে কথা মানতে চাননি সৌরভ পক্ষের আইনজীবী।



যাদবপুরকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত যে ১৩ জন ছাত্র গ্রেফতার হয়েছেন, তাঁরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী সৌরভ চৌধুরী, নাসিম আখতার, হিমাংশু কর্মকার ও সপ্তক কামিল্যা, পড়ুয়াদের মধ্যে রয়েছেন দীপশেখর দত্ত, মনোতোষ ঘোষ, অসিত সর্দার, সুমন নস্কর, মহম্মদ আরিফ , আসিফ আফজল আনসারি, অঙ্কন সরকার, সত্যব্রত রায় এবং জয়দীপ ঘোষ।
‘পিক অ্যান্ড চুজ’ করে মারা হয় প্রথম বর্ষের ছাত্রকে, এবার জেল হেফাজত ‘কিংপিন’ সৌরভের








