নজরবন্দি ব্যুরো: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যলয়ের প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যুর পর কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। ইউজিসির গাইডলাইন থাকা সত্ত্বেও সিসিটিভি কেন নেই এনিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। ছাত্রমৃত্যুর পর রাজ্যপাল অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য নিয়োগ করলে তিনি নির্দেশিকা মেনেই বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে সিসিটিভি বসানোর সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু এরপরও বিতর্ক থামেনি। এরইমধ্যে শিক্ষা দফতর বরাদ্দ করে ফেলল ৩৮ লক্ষ টাকা।
আরও পড়ুন: ডায়মন্ড হারবার পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির ছায়া, নোটিস পাঠাল ইডি


নবান্ন সূত্রে খবর, যাদবপুরে সিসিটিভি বসানোর জন্য আর্থিক অনুমোদনের বিষয়টি অর্থ দফতরের অধীনে বিচারাধীন ছিল। তবে এবার অর্থ দফতর গ্রিন সিগন্যাল দিয়ে দেওয়ায় এই অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে কোনও বাধা রইল না। জানা গিয়েছে, আপাতত মৌখিকভাবে শিক্ষা দফতরকে অর্থ বরাদ্দ করার বিষয়টি জানানো হয়েছে। কিছু প্রশাসনিক কাজকর্ম বাকি রয়েছে। সেগুলি চলতি সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে সিসি ক্যামেরা বসাতে ৩৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই টাকা সরাসরি যাদবপুরের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে।
![]()
সূত্রে খবর, প্রায় ৩৭ লক্ষ টাকা খরচ করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি ক্যাম্পাস ও হস্টেল মিলিয়ে মোট ২৬ টি জায়গায় সিসি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ইতিমধ্যেই ওয়েবেল টেকনোলজি লিমিটেডকে (WTL) অর্ডার পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও কবে থেকে কাজ শুরু হবে এবিষয়ে এখনই কিছু জানা যায়নি।



গত ৯ আগস্ট রাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলের তিন তলার বারান্দা থেকে পড়ে যায় প্রথম বর্ষের বাংলা বিভাগের এক পড়ুয়া। পুলিশ সূত্রে খবর, নগ্ন অবস্থায় তার দেহ উদ্ধার হয়, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও পরদিন ভোরে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় র্যাগিংয়ের অভিযোগ ওঠে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন শুরু হয়। এরপরই শুরু হয় সিসিটিভি বিতর্ক।
যাদবপুরে সিসি ক্যামেরা বসাতে বরাদ্দ ৩৮ লক্ষ টাকা, বিতর্ক কাটিয়ে কবে শুরু হবে কাজ?









