HomeTagsJhalda

Jhalda

Tapan Kandu Murder: তপন খুনে প্রত্যক্ষদর্শীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, মানসিক অবসাদের কারণে আত্মঘাতী?

ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর খুনের তিন সপ্তাহের মাথায় ঘটনার নয়া মোড়। তপন খুনে প্রত্যক্ষদর্শীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার তার বাড়ি থেকে। মৃতের নাম নিরঞ্জন বৈষ্ণব ওরফে সেফাল। ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুকে খুনের সময় একমাত্র সেফল ছিলেন তার সঙ্গে।

Jhalda: রণক্ষেত্র ঝালদা, ১২ ঘণ্টার বন্‌ধ ডাকল কংগ্রেস

পুরভোট গঠনের আগে কার্যত রণক্ষেত্র ঝালদা। ত্রিশঙ্কু পুরসভা গঠনের প্রতিবাদে রাস্তায় নামল কংগ্রেস। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন নিহত কাউন্সিলর তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু। পুলিশের সঙ্গে সংঘাতে জড়ায় কংগ্রেস কর্মীরা। ঘটনার প্রতিবাদে আগামীকাল ১২ ঘন্টার বন্‌ধ ডাকল কংগ্রেস। 

Tapan Kandu Murder Case: পারিবারিক বিবাদের জেরে খুন তপন কান্দু, আইসির যোগ নেই, জানালেন এসপি

পারিবারিক বিবাদের জেরে খুন তপন কান্দু। দাদা নরেন কান্দু ঘটনার মূলচক্রি। ঘটনার সঙ্গে আইসি সঞ্জীব ঘোষের যোগ নেই। সাফ জানিয়ে দিলেন পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার এস সেলভামুরুগান। 

ঝালদায় কংগ্রেস কাউন্সিলর খুনে গ্রেফতার মূল চক্রী, বোকারোতে গা ঢাকা দিয়েও হল না রেহাই

কংগ্রেস কাউন্সিলর খুনে গ্রেফতার মূল চক্রী। শুক্রবার বোকারো থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতের নাম কোলেবর সিং। পুরুলিয়া জেলা পুলিশের তরফে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চলছে জিজ্ঞাসাবাদ।

এখনও ডিউটি করছেন আইসি, সিটের ওপর আস্থা নেই, সিবিআই তদন্ত চাইছেন ঝালদার নিহত কাউন্সিলরের স্ত্রী

ঝালদায় কংগ্রেস কাউন্সিলর খুনের ঘটনায় তদন্তভার বর্তেছে সিটের ওপর। কিন্তু সিটের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট নিহত কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর স্ত্রী। নিহত কাউন্সিলরের স্ত্রীর দাবি, মূল অভিযুক্ত ঝালদা থানার আইসি-র বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি। এখনও ডিউটি করছেন আইসি।

Jhalda Councillor Murder: বেটিংয়ের কারণে খুন হয়েছেন ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর! উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

পুরুলিয়ার ঝালদায় তপন কান্দুকে খুনের ঘটনায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ সূত্রে খবর, তৃণমূল কর্মী এবং দাদা নরেন কান্দুর সঙ্গে বেটিং হয়েছিল। বেটিংয়ের কারণে খুন হয়েছেন ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর! সিটের তদন্তে সেই তথ্য উঠে এসেছে বলে খবর। 

ঝালদায় কংগ্রেস কাউন্সিলর খুনের তদন্তে সিট গঠন, পর্যবেক্ষণে সিআইডি!

পুরুলিয়ার ঝালদায় কংগ্রেস কাউন্সিলর খুনের তদন্তে সিট গঠন করা হল। ওই তদন্তকারী দলে ছ’জন পুলিশ আধিকারিক থাকবেন। তাঁদের মধ্যে ডিএসপি পদমর্যাদার কয়েক জন আধিকারিক রয়েছেন। পাশাপাশি নেওয়া হতে পারে সিআইডির সাহায্য। 

Trending Now