নজরবন্দি ব্যুরোঃ ঝালদায় কংগ্রেস কাউন্সিলর খুনের ঘটনায় তদন্তভার বর্তেছে সিটের ওপর। কিন্তু সিটের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট নিহত কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর স্ত্রী। নিহত কাউন্সিলরের স্ত্রীর দাবি, মূল অভিযুক্ত ঝালদা থানার আইসি-র বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি। এখনও ডিউটি করছেন আইসি। পুলিশি তদন্তে তাঁদের কোনও আস্থা নেই বলে জানিয়েছেন নিহত কংগ্রেস কাউন্সিলরের স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু।


নিহত কংগ্রেস কাউন্সিলরের স্ত্রীর বক্তব্য, ঠিকমতো তদন্তই করা হচ্ছে না। একে তো সাত দিন পরে এই তদন্ত শুরু হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে আমার অভিযোগ, তাদের গ্রেফতার করা হয়নি। কোনও কিছুই করা হচ্ছে না। এখনও অবধি আইসি সিটে বসে আছেন। আইসি-র বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ। উনি তো এখনও ডিউটি করেই যাচ্ছেন। তাঁকে সাসপেন্ড করা হোক। তাই সিবিআই তদন্ত চাইছেন তাঁরা।
উল্লেখ্য, কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুকে খুনের ঘটনায় ৫ জন পুলিশ কর্মীকে ক্লোজ করা হয়েছে। ঝালদায় কংক্লোজ করা হল ১ এসআই, ২ কনস্টেবল, ২ হোমগার্ডকে। তপন হত্যায় ধৃত দীপক কান্দুকে বুধবার পুরুলিয়া আদালতে তোলা হয়েছিল। বিচারক দীপককে ১৪ দিন পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
তপন হত্যায় জড়িয়েছে ঝালদার আইসি সঞ্জীব ঘোষের নামও। তাঁর বিরুদ্ধে পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার এস সেলভামুরুগনকে অভিযোগপত্র পাঠিয়েছেন নিহত তপনের স্ত্রী পুর্ণিমা কান্দু। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা কেন নেওয়া হচ্ছে না? প্রশ্ন পরিবারের।


এখনও ডিউটি করছেন আইসি, সিবিআই তদন্ত চাইছেন ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলরের পরিবার

তপন কান্দুর পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই ঝালদার আইসি সঞ্জীব ঘোষ তপন কান্দু ও তাঁর স্ত্রী পূর্ণিমার ওপর চাপ তৃণমূলে যোগদানের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। এমনকি তাঁরা যেন তৃণমূলের হয়ে লড়াই করেন, সেটাও চেয়েছিলেন আইসি। অভিযোগের প্রেক্ষিতে কয়েকদিন আগে একটি অডিও টেপ ভাইরাল হয়। তারপরেই বিষয়টি নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে।







