ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা ও করা হয়েছে এফএসডিএল ও আইএফের তরফে। সেই অনুসারে আগামী আগস্ট মাস থেকেই শুরু হবে ডুরান্ড কাপ। এরপরে অর্থাৎ সেপ্টেম্বর মাসে আয়োজিত হবে সুপার কাপের কোয়ালিফায়ার। তারপর অক্টোবর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত টানা চলবে আইএসএল।
জানা গিয়েছে, করোনা সংক্রমণের হারের দিকে নজর রেখেই নাকি আসন্ন ফাইনাল ম্যাচে ১০০% দর্শক প্রবেশের অনুমতি মিলেছে। তবে দর্শকদের প্রবেশের ক্ষেত্রে নিয়মের কিছুটা বদল আনা হয়েছে। মূলত যারা ম্যাচ দেখতে আসবেন তাদের প্রবেশের আগে নেগেটিভ আরটিপিসিআর রিপোর্ট জমা করতে হবে।
বর্তমানে দলের অন্যতম ভরসা তিনি। এই পরিস্থিতিতে আদৌ কি কাউকো কে বসিয়ে অফফর্মের বুমোস কে নামাবেন বাগান কোচ? অনেকেই বলছেন এই সমস্ত ম্যাচে বুমোস কে নামালে বাড়তি ঝুঁকি দেখা দেবে দলের ক্ষেত্রে। তবে গতকাল দলের বাকি তারকাদের সঙ্গেই অনুশীলন করেছেন তিনি। দরকার পড়লে হয়তো তাকে মাঠে নামানোর কথা ভেবে দেখবেন জুয়ান ফেরেন্দো।
অপরদিকে ক্লাবের আরেক প্রতিভাবান তারকা হামতেকে ও নাকি বিরাট অঙ্কের অফার দিয়েছে এটিকে মোহনবাগান। তবে তিনিও নাকি কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। তবে যতই সময় এগোচ্ছে দুশ্চিন্তা ফিরছে লাল-হলুদ সমর্থকদের। তা কিন্তু বলাই চলে।
এদিন হাসপাতালের বেডে শুয়েই জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যমকে হীরা বলেন, ‘‘চিকিৎসকরা জানিয়েছেন আমার নাকের হাড় ভেঙে বাম দিকে সরে এসেছে। অস্ত্রপ্রচার না করালে ভবিষ্যতে নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা হবে। তাই আর আপত্তি করিনি।"