বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, শিমলা চুক্তি স্থগিত থাকলে নিয়ন্ত্রণরেখায় নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। ভারতীয় সেনা সূত্রে এখনও কোনও সরকারি বিবৃতি না এলেও, সীমান্তে পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত বলেই মনে করা হচ্ছে।
এছাড়া, গতকালই ভারতীয় সেনার এক জুনিয়র কমিশনড অফিসার নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে টহল দেওয়ার সময় ল্যান্ডমাইনে পা রেখে আহত হন। এর ফলে সীমান্ত পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
পাকিস্তানের হামলার জবাবও দেয় ভারত। পাক গোলা বর্ষণে আহত হন এক বিএসএফ জওয়ান। তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও ভারতের জবাবি হামলায় সীমান্তের ওপারের ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট এখনও প্রকাশ্যে আনেনি পাকিস্তান।
সোমবার জঙ্গিদের উপস্থিতির খবর পেয়ে ডোডা ও দেসায় যৌথভাবে হামলা চালায় ভারতীয় সেনা ও কাশ্মীর পুলিশ। জঙ্গিদের সন্ধান চালানোর সময়ই শুরু হয় দু পক্ষের গুলির লড়াই। এর আগে ৬ জুলাই কুলগাম জেলায় দুই এনকাউন্টারে নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে নিকেশ হয় ছয় সন্ত্রাসবাদী।
নৌবাহিনীর লড়াকু হেলিকপ্টার ALH ধ্রুবতে করে কম্যান্ডোদের একটি দলকে অপহৃত জাহাজে নামিয়ে দেয়। সোমবার সোমালিয়ার পূর্ব উপকূলের কাছে ওই জাহাজটিকে আটকে দেন নৌসেনার জওয়ানরা। জলদস্যুদের হাত থেকে সফলভাবে মুক্ত করে আনা হয় ওই পাকিস্তানি পণবন্দিদের।
“আমরা ছোট দেশ হতে পারি, কিন্তু তার মানে এই নয় যে আপনি আমাদের ধমক দেওয়ার লাইসেন্স পেয়ে গিয়েছেন। আমরা কারও বাড়ির উঠোনে অবস্থিত নই। আমরা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। তাই, মালদ্বীপের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে না গলানোর অধিকার কোনও দেশের নেই।”।