‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সাফল্যে কাঁপছে পাকিস্তান। ভারতীয় সেনার নিশানা ছিল পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জঙ্গি ঘাঁটি, যেখানে গভীর রাতে চালানো হয় সফল ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। জইশ-ই-মহম্মদ, লস্কর-ই-তৈবা ও হিজবুল মুজাহিদিনের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়ে ভারত জানিয়ে দেয়, জবাব দিতে জানে তারা।
২৬ জন ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হওয়া পহেলগাঁও হামলার বদলা নিতে ভারতের এই পাল্টা পদক্ষেপে পাকিস্তানের ভিত নড়ে গিয়েছে বলেই আন্তর্জাতিক মহলের মত। যদিও শুরুতে ইসলামাবাদ জানায়, সেনাবাহিনীকে ‘পূর্ণ স্বাধীনতা’ দেওয়া হয়েছে পাল্টা জবাবের জন্য। কিন্তু তারপরেই একাধিক পাক সংবাদমাধ্যমে দেখা যায়, পাকিস্তান সরকার অনেকটাই নরম অবস্থান নিচ্ছে।


পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের উপদেষ্টা রানা সানাউল্লা বলেন, “আমরা উপযুক্ত জবাব দিয়েছি। ভারত যদি আর কোনও পদক্ষেপ না করে, তাহলে পাকিস্তানও দায়িত্বজ্ঞানহীন কিছু করবে না।”
এই বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট, পাকিস্তান সরাসরি যুদ্ধ চায় না এবং পরোক্ষে শান্তির প্রস্তাবই দিচ্ছে ভারতকে। যদিও সরকারি বিবৃতিতে পাকিস্তান দাবি করেছে, ভারত যে স্থানে হামলা চালিয়েছে, সেখানে সাধারণ মানুষের বসবাস রয়েছে এবং জঙ্গি ঘাঁটির অস্তিত্বের প্রমাণ নেই। এমনকি তারা তদন্তের প্রস্তাবও দিয়েছিল, যা ভারত মেনে নেয়নি বলে তাদের দাবি।
এদিকে গোটা ‘অপারেশন সিঁদুর’ নজরে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজে। ভারতীয় সেনার সাফল্য এবার শুধু সীমান্তেই নয়, কূটনৈতিকভাবেও পাকিস্তানকে কোণঠাসা করে তুলেছে।









