মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সান্তা ক্লজ বললেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। রবিবার বড়দিন উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তিনি।
এক বছরের বেশি সময় হয়ে গেলেও এখনও অনেকেই সেই নিয়ম মানছেন না। একই বালতি কিংবা ডাস্টবিনে বর্জ্য-আবর্জনা ফেলছেন। এনিয়ে বেজায় ক্ষুব্ধ কলকাতা পুরসভা। কড়া পদক্ষেপ করতে পারে পুরসভা কর্তৃপক্ষ। এখনই সতর্ক হন।
দিন দুয়েক আগেই হাওড়ার ড্রোনেজ ক্যানাল রোডের ইছাপুর দক্ষিণপাড়ার একটি বস্তিতে মারাত্মক আগুন লাগে এবং যে ঘটনার জেরে আগুনে পুড়ে খাক হয়ে যায় একাধিক বাড়ি। বৃহস্পতিবার সেই বস্তি এলাকা পরিদর্শনে যান কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। সেখানে গিয়ে তিনি ঘোষণা করেন, ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারকে ১৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে এবং সঙ্গে তৈরি করে দেওয়া হবে পাকা বাড়ি। আগামী ১৫ই জানুয়ারির মধ্যে এই ক্ষতিপূরণ দেবার কথাও জানিয়েছেন ফিরহাদ।
বাংলা পক্ষ তখনও পথে নেমে প্রতিবাদ করেছিল। বাংলার মাটিতে বাংলা ও বাঙালির বিরুদ্ধে সকল দলে থাকা এই ধরনের বাঙালি-বিরোধীদের বাঙালি জাতির সামনে মুখোশ উন্মোচন করে যাবে বাংলা পক্ষ বলে দাবি করেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়।
সেখানেই তিনি প্রশ্ন তোলেন কেন্দ্রীয় এজেন্সির ভূমিকা নিয়ে। বলেন, ‘‘আপনারা আমার বাড়িতে সিবিআই পাঠিয়েছেন। কী পেয়েছেন? ভেবেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছেড়ে চলে যাব! কখনও দিদিকে ছেড়ে চলে যাব না। মৃত্যু পর্যন্ত সঙ্গে থাকব। কেউ কেউ চলে গিয়েছেন। নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছেন। কিন্তু সকলে নয়।’’
বুধবার কলকাতায় সভা করে গেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আর বিজেপির এই মেগা সমাবেশের ১২ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই রাজ্যজুড়ে তৎপর সিবিআই। বৃহস্পতিবার রাজ্যের একাধিক তৃণমূল নেতা ও জনপ্রতিনিধির বাড়িতে হানা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় এজেন্সি। এবার কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম কিন্তু চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন। তাঁর দাবি, অমিত শাহের নির্দেশেই তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে সিবিআই তল্লাশি শুরু হয়েছে।