নজরবন্দি ব্যুরো: পুকুর বুজিয়ে বহুতল। এই চিত্র নতুন নয়। শহরে জলাশয় বুজিয়ে তৈরি হয়ে যাচ্ছে সাততলা ভবন! এই বিষয়ে পুরসভা কেন কিছু জানে না, সোমবার এই নিয়ে প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাই কোর্ট এর ডিভিশন বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম জানালেন, পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যে এ রকম আশা করা যায় না। আমরা প্রস্তরযুগে বাস করছিনা, সবকিছু ডিজিটালাইজড করা উচিত। এমনকি, মেয়রকে দিলেন কড়া বার্তা। জানালেন, আদালত গুরুত্ব দিয়েই বিষয়টিকে দেখছে।
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: আজীবন পেনশনের আকারে মিলবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর


এই বিষয়ে কলকাতা পুরসভাকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করল কলকাতা হাই কোর্ট।বেআইনি নির্মাণ নিয়ে পুরসভা কী পদক্ষেপ করেছে, তা-ও জানতে চেয়েছে। তিনি এও জানান, আদালত কাউকে ছাড়বে না। কী করে কাজ করাতে হয়, তিনি জানেন। প্রধান বিচারপতির কথায়, ‘‘জলাশয় অন্য কেউ ব্যবহার করছে। পাট্টা দেওয়া হয়েছে। বেআইনি নির্মাণ করা হচ্ছে। আপনাদের কাছে জলাশয় নিয়ে তথ্য থাকা উচিত। কতগুলি জলাশয় ছিল। এখন সেগুলির কী অবস্থা পুরসভার তা পরিদর্শন করে দেখা উচিত।’’

রাজ্যের আইনজীবী এই বিষয়ে সওয়াল করেন, ‘‘পুরসভা পদক্ষেপ করছে। এক হাজারের বেশি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। পুরসভা বেআইনি কোনও কিছুর অনুমতি দেয়নি।’’ পাল্টা প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘এফআইআর দায়ের সমস্যা সমাধানের রাস্তা নয়। পুরসভা কেন বেআইনি নির্মাণ ভাঙছে না? ’’ বেআইনি নির্মাণ নিয়ে পুরসভা কী পদক্ষেপ করেছে, সেই রিপোর্টও চেয়েছে আদালত।


KMC: পুরসভাকে লক্ষ টাকা জরিমানা আদালতের, পাল্টা কি বললেন মেয়র?
প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, ‘‘বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কী করেছেন রিপোর্ট দিন। রিপোর্ট দিয়ে জানান কতগুলি বেআইনি নির্মাণ ভেঙেছেন। আদালতকে জানাতে হবে কত জনকে নোটিস ধরিয়েছেন।’’মেয়রকেও কড়া বার্তা দিতে ছাড়েননি প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, ‘‘মাননীয় মহাশয়কে গিয়ে বলুন, আদালত এটাকে গুরুত্বপূর্ণ ভাবে নিয়েছে। অনেক কিছু হচ্ছে, মেয়রকে বলুন। এটার শেষ দেখে ছাড়ব। আপনাদের কাজের জন্য পরবর্তী প্রজন্ম ভুক্তভোগী হবে।’’ মামলার পরবর্তী শুনানি ১৯ ডিসেম্বর।








