মহাকাশ নিয়ে আমাদের কৌতূহলের শেষ নেই। সারাদিন কতকিছু যে ঘটে চলে তাঁর নাগাল পাওয়া আমাদের সাধ্য নেই। পৃথিবীর মতো মানুষের বাসযোগ্য অন্য গ্রহ বহু কাল ধরে মানুষ খুঁজে যাচ্ছে। কিন্তু টা এখনও পর্যন্ত কোন বিজ্ঞানী খুঁজে পাননি। তবে এবার হয়ত সেই প্রত্যাশার অবসান ঘটতে চলেছে। এবার মহাকাশ থেকে সংকেত পেলেন বিজ্ঞানীরা।
ফের বিপদের মুখে পরতে পারে পৃথিবী। এবার এক টা বা দুটো নয় একসঙ্গে পাঁচটি গ্রহ দল বেধে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে। ইতিমধ্যেই নাসা সতর্ক বার্তা দিয়েছে। পাঁচটি গ্রহানুর মধ্যে চারটি গ্রহ আকারে খুব ছোট হলেও, একটি গ্রহানু আকারে বেশ বড়। যার আয়তন প্রায় ১৫০ ফুটের কাছাকাছি।
কিছু বছর আগে অবধি ও মানুষের গড় আয়ু ছিল ১০০ বছর। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১২০ বছর । সম্প্রতি আমেরিকার এক গবেষণায় উঠে এসেছে এক নয়া তথ্য মানুষের গড় আয়ু নাকি বেড়ে হবে ১৫০ বছর। এমনই নতুন তথ্য উঠে আসছে সমীক্ষা থেকে।
মহাকাশ বিজ্ঞনীদের মতে, যেই মুহুর্তে রকেটটি নিম্মকক্ষপথে এসে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল স্পর্শ করবে, তখনই সেটা ভেঙে পড়তে পারে। যেহেতু রকেটটি আয়তন বিশাল, তাই দু হাজার কিলোমিটার জুড়ে ধ্বংসবশেষ বৃষ্টির মতে ঝড়ে পড়তে পারে। যদিও এই ঘটনায় বড়সড় ক্ষতির কথা নস্যাৎ করে দিয়েছেন মহাকাশবিদরা।
হিসাব বলছে, আর কদিনের মধ্যেই ১৯৮৯ জেএ কার্যত পৃথিবীর ঘাড়ের কাছে চলে আসবে। আমাদের প্রিয় নীল গ্রহ থেকে তার দূরত্ব হবে মাত্র ৪০ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ কিলোমিটার। মহাকাশের দূরত্বের হিসাবে যা একেবারেই নগণ্য! শেষবার এই গ্রহাণুটি পৃথিবীর কাছাকাছি এসেছিল ১৯৯৬ সালে। সেবারও পৃথিবীর গা ঘেঁষে হুশ করে বেরিয়ে গিয়েছিল ১৯৮৯ জেএ।
মূলত, বহুদিন ধরেই এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ব্যস্ত ছিলেন বিজ্ঞানীরা। এবার এই বহুকাঙ্খিত প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেছে বলে মনে করছেন তাঁরা। যদিও, এর আগে অনেক ভবিষ্যদ্বাণী করা হলেও কিন্তু পরে সেগুলি ভুল বলে প্রমাণিত হয়। তবে সম্প্রতি, বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর আয়ু শেষ হওয়ার আসল তারিখ ও কারণ খুঁজে বের করতে সক্ষম হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে যে, প্রকৃতপক্ষে সূর্যের কারণেই শেষ হয়ে যাবে বলে পৃথিবী।
বিজ্ঞানীরা বলেছেন, সৌর ঝড়ের ফলে প্লাজমা ছড়িয়ে পড়ে মহাশূন্যে। এর আগে পৃথিবীর দিকে নয়, পৃথিবীর থেকে দূরবর্তী স্থানে এই ঘটনা ঘটেছিল, তার প্রভাব পড়েছিল পৃথিবীতে। এ বার সেটি পৃথিবীর দিকে মুখ করে থাকা অংশেই ঘটছে। তাই আশঙ্কা বেশি।