আমরা বছর তিরিশের বেশি গান গাইছি। তাই আমাদের উপরে হয়তো সরাসরি প্রভাব পড়ছে না। কিন্তু আমার সঙ্গে যে যন্ত্রশিল্পীরা আছেন, তাঁরা কিন্তু বেশ চিন্তিত”। সব মিলিয়ে এবার মা দুর্গার আগমনে বাংলা বেশ ম্রিয়মাণ। আর তার প্রভাব পড়েছে সব কিছুর উপরে।
"মৃত আরজি করে চিকিৎসক তরুনীর খুন ও ধর্ষণের ঘটনার সমাধান নবান্ন ঘেরাও করে হবেনা। আমাদের দেশের আইন বদলাতে হবে। যাতে মানুষ এমন ঘটনা ঘটাতে ভয় পাই, তেমন আইন আনতে হবে। তবেই এই ধরনের ঘটনা কমবে "।
“চল রাস্তায় সাজি ট্রামলাইন...”। কিংবা “রাস্তা চলেছে যেন অজগর সাপ/ পিঠে তার ট্রামগাড়ি পড়ে ধুপধাপ” গান হোক বা কবিতার পংক্তি, শুরু থেকেই কলকাতার ট্রাম যেন আমাদের কাছে একধরনের আবেগ, ভালোবাসা। শহরের একাধিক পিচঢালা রাস্তায় এঁকে বেঁকে বেঁচে থাকা ট্রাম লাইন, ঠিক যেন নস্ট্যালজিয়া। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শহরে এসেছে পরিবর্তন। গতি এসেছে, বেড়েছে যানবাহন। আর সেই ভিড়েই দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের এই নস্ট্যালজিয়া।
মহালয়ার দিনেই বড়সড় ঘোষণা করল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পরিবহণ নিগম এবং কলকাতা রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগম। এবার পুজোতে অর্থাৎ আগামী চতুর্থী থেকে নবমী পর্যন্ত গভীর রাতে চলবে সরকারি বাস। দর্শনার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যায় সরকারি বাস রাস্তায় নামাতে প্রস্তুত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পরিবহণ নিগম এবং কলকাতা রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগম।
পুজো আসতে আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরেই বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজো। তবে সেই চিত্রটা শুধুমাত্র পশ্চিমবাংলাতে নয়, ওপার বাংলাতেও দুর্গাপুজোকে ঘিরে একই রকম ব্যস্ততা রয়েছে।
রাজ্যবাসীকে খুশীর খবর জানালেন পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী। তিনি জানান, পুজোয় এই প্রথমবার সারা রাত বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারি বাস চলবে নির্দিষ্ট রুটে। যা নিয়ে পুলিশের কথাও বলা হয়েছে।