রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে উদ্দেশ্য করে মন্ত্রী অখিল গিরির মন্তব্যের জেরে বিধানসভায় মুলতুবি প্রস্তাব দিল বিজেপির পরিষদীয় দল। আদিবাসী সম্প্রদায়ের উত্তরীয় পরে এদিন বিধানসভায় প্রবেশ করেন বিজেপি বিধায়করা। এরপরেই বিধানসভায় মুলতুবি প্রস্তাব দেওয়া হয় বিজেপির তরফে। অখিলের বিরুদ্ধে মুলতুবি প্রস্তাব –এর পাশাপাশি মন্ত্রীপদ থেকে অখিল গিরিকে অপসারণের দাবিতে সরব হন বিজেপি বিধায়করা।
শুভেন্দু অধিকারীর এহেন মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য করে বসলেন রামনগরের বিধায়ক এবং রাজ্যের কারা মন্ত্রী অখিল গিরি। অখিলের বিরুদ্ধে জোড়া মামলা দায়ের হল কলকাতা হাই কোর্টে। মামলা করার অনুমতি দিল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।
দাঁত ফোকলা হাফ মন্ত্রী। কাকের মতো দেখতে। এসব লোকের কথার উত্তর দিই না। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর এহেন মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য করে বসলেন রামনগরের বিধায়ক এবং রাজ্যের কারা মন্ত্রী অখিল গিরি। রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে মন্ত্রীর মন্তব্য ঘিরে তোলপাড়। শেষমেশ চাইলেন ক্ষমা।
ঘটনাটি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানান পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক। এমনকি পাণ্ডবেশ্বর থানাতেও অভিযোগ দায়ের করেছেন বিধায়ক৷ কারা এই ফোন করেছিল? কারা এর সঙ্গে যুক্ত? তা জানার জন্য পুলিশকে তদন্তের আর্জি জানিয়েছেন বিধায়ক৷
এদিন মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় সঙ্গে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপরি সহ প্রথম সারীর সমস্ত নেতারা। বিজেপির তরফে প্রথম প্রস্তাবক হিসাবে নাম জমা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সকলের উপস্থিতিতেই মনোনয়ন জমা দিলেন দ্রৌপদী মুর্মু।
এর আগেরবার রামনাথ কোবিন্দ কে রাষ্ট্রপতি বানিয়ে দলিত সম্প্রদায়ের মন জিতেছিল পদ্ম শিবির। সামনেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে দলিত রাষ্টপতিকে সরিয়ে অন্য সম্প্রদায়ের মানুষকে রাষ্টপতি পদের জন্যে মনোনীত করলে তার প্রভাব পড়তে পারে ভোট ব্যাঙ্কে।