রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে নয়াদিল্লিতে দেখা করলেন বাংলার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। মঙ্গলবার রাতে রাষ্ট্রপতি ভবন অর্থাৎ রাইসিনা হিলে দু'জনের সাক্ষাৎ হয়েছে। সূত্রের খবর, বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে একটি রিপোর্ট দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে পেশ করেছেন সিভি আনন্দ বোস।
খিদিরপুর র্যাম্প বন্ধ থাকবে। বিকল্প হবে এসপ্ল্যানেড র্যাম্প। বিকেল ৩টে থেকে ৩টে ৪৫ পর্যন্ত ইএম বাইপাস (উত্তর) থেকে সায়েন্স সিটি এবং হাডকো পর্যন্ত রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত হবে। এ ক্ষেত্রে বিকল্প হবে পিসি কানেক্টর-এজেসি বোস রোড এবং এপিসি রোড।
উল্লেখ্য, এদিন রাজ্যসভার সাংসদ তৃণমূল নেত্রী সুস্মিতা দেব রাষ্ট্রপতির কাছে আরজি জানিয়েছেন, মণিপুরের দুই ভিন্ন সম্প্রদায়ের দু’জন সাহসী মহিলাকে (রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত) রাজ্যসভায় পাঠানো হোক। মণিপুরের মহিলাদের উপর সংঘটিত গুরুতর ক্ষতি সংশোধন করার জন্য একটি ছোট ব্যবস্থা হিসেবে এই পদক্ষেপের কথা বলেন তিনি।
সংসদ ভবন উদ্বোধনের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন স্পিকার ওম বিড়লা। কেন? স্পিকারে সিদ্ধান্তে আপত্তি তুলেছে বিরোধীরা। তাদের বক্তব্য, সংসদ যিনি পরিচালনা করেন, সংসদ ভবনও তাঁরই উদ্বোধন করা উচিত।
আগামী ২৮ মে সাভারকারের জন্মতিথিতে নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী ২৬ মে মোদী সরকারের ৯ বছর পূরণ হচ্ছে। প্রথম দিকে জল্পনা চলছিল ওই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধন ২৬ তারিখেই হবে। মোদী সংসদ ভবনের উদ্বোধন করবেন- এনিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস। তাদের কথায়, পদমর্যাদা অনুযায়ী নব সংসদ ভবনের উদ্বোধন করার অধিকারী রাষ্ট্রপতি, তবে প্রধানমন্ত্রী কেন? কংগ্রেসের পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেস সহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলিও একই প্রশ্ন তুলেছেন।