নানান জল্পনা কল্পনার মধ্যে বিজেপি সূত্রে খবর, দিলীপ ঘোষকে (Dilip Ghosh) হয়তো এখনই রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নিতে হবে না। কারণ, আর বছর দুয়েক পরেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। সেখানে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চায়, ২৬ বিধানসভার গুরুদায়িত্ব থাক দিলীপের ওপর!
লোকসভা নির্বাচনে তাঁর তুলনায় রাজনীতিতে আনকোরা তৃণমূলের ক্রিকেটার প্রার্থী কীর্তি আজাদের কাছে হার কি মনোবল একেবারে ভেঙে দিয়েছে? দল কি দিলীপের পাশে নেই? আর কি ঘুরে দাঁড়াবার কোনও সম্ভাবনাই ছিল না? গুচ্ছের প্রশ্নের মধ্যেও দিলীপের অবসরের সিদ্ধান্ত সত্যি হলে রাজনৈতিক মহল যে কিছুটা বিষাদগ্রস্ত হয়ে পড়বে তা বলাই বাহুল্য।
ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখেই একেবারে জেলাস্তরে সংগঠনের খোলনলচে বদলানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে স্বীকার করেছেন রাজ্য বিজেপির এক নেতা। ৪৩টি সাংগঠনিক জেলার মধ্যে অন্ততপক্ষে ১৫টি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বদল করা হবে।
উত্তরবঙ্গে ৫৪ টি বিধানসভা আসন রয়েছে। ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে উত্তরবঙ্গে ২৯ টি আসন পায় বিজেপি। এবার সেই সংখ্যা বাড়াতে আরও তৎপর হওয়ার বার্তা দিলেন দিলীপ।
নতুন সভাপতি হবেন কে তা নিয়ে টানাপোড়েন চলছে গত কিছুদিন ধরে। তারই মাঝে প্রকাশ্যে এল চমকপ্রদ খবর। BJP রাজ্য সভাপতি হচ্ছেন দিলীপ ঘোষ, এমনটাই ইঙ্গিত মিলল। দিল্লী থেকে ফেরার পর প্রথমে নিজের পুরনো কেন্দ্র মেদিনীপুর, পরে রাজ্য সফরে বেরিয়ে পড়েছেন দিলীপ।
তিনি জানান, দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঠিক ছিল না। ঠিক কী বলেছেন শান্তনু? তিনি বলেন,” দিলীপদাকে সরানো উচিত হয়নি। আমি বেশি কিছু এই নিয়ে বলব না, কিন্তু এই সিদ্ধান্তটা ঠিক নয়। প্রচুর কাজ করেছেন উনি ওনার এলাকাতে, তাই ওনাকে সরানো উচিত হয়নি”।
স্বাভাবিকভাবেই এই পরিবেশে একে অপরের মুখোমুখি হলে কিছুটা উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হতে পারে বিজেপি নেতাদের মধ্যে, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। যদিও শুভেন্দু অধিকারীর এই বৈঠকে উপস্থিত থাকা নিয়ে কিছুটা সন্দেহ রয়েছে। এর আগেও একাধিক বৈঠক সুকৌশলে এড়িয়েছেন তিনি।