২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে আসন সংখ্যা কমেছে বিজেপির। গতবার যেখানে ছিল ১৮ এইবার তা হয়েছে ১২ জন। এই সাংসদের মধ্যে ৬ জন উত্তরবঙ্গের ৬ জন দক্ষিণবঙ্গের। গতবার ১৮ জন সাংসদের মধ্যে ৪ জন কে মন্ত্রী করেছিল কেন্দ্র। এবার মন্ত্রী হয়েছেন দুজন। শান্তনু ঠাকুর আর সুকান্ত মজুমদার। যদিও পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদা পাননি কেউই।
বিজেপির নিয়ম অনুযায়ী কিছুদিন পরেই সুকান্ত মজুমদারকে সরানো হবে রাজ্য সভাপতির পদ থেকে। নতুন সভাপতি হবেন কে তা নিয়ে টানাপোড়েন চলছে গত কিছুদিন ধরে। তারই মাঝে প্রকাশ্যে এল চমকপ্রদ খবর। BJP রাজ্য সভাপতি হচ্ছেন দিলীপ ঘোষ, এমনটাই ইঙ্গিত মিলল। দিল্লী থেকে ফেরার পর প্রথমে নিজের পুরনো কেন্দ্র মেদিনীপুর, পরে রাজ্য সফরে বেরিয়ে পড়েছেন দিলীপ।

লোকসভা নির্বাচনে খারাপ ফল হওয়ার পর থেকেই রাজ্য বিজেপিতে চলছে ডামাডোল। এই খারাপ ফল বা হারের দায় কে নেবে তা নিয়ে শুরু হয়েছে দড়ি টানাটানি। দলের অন্দরে একে অপরকে দোষারোপ করতে ব্যস্ত রাজ্য নেতারা। দিলীপ ঘোষ যেমন প্রকাশ্যেই বলেছেন এই হারের দায় শুধু একা তার নয়। যারা যারা দল চালান এবং বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন দায় তাদেরও। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী, শুভেন্দু সুকান্তদের পাশাপশি দিলীপ ঘোষকেও ডেকেছিলেন দিল্লীতে। তারপরেই যেন পুরনো ছন্দে ফিরেছেন দিলীপ ঘোষ।
প্রকাশ্যে এল চমকপ্রদ খবর, BJP রাজ্য সভাপতি হচ্ছেন দিলীপ ঘোষ

সুকান্ত মজুমদার ভোটে জিতে এবার মন্ত্রী হয়েছেন। বিজেপির নিয়ম অনুসারে একজন ব্যক্তি একাধিক পদে থাকতে পারেন না। তাই নিয়ম মেনে রাজ্য সভাপতির পদ ছাড়তে হবে সুকান্ত কে। কিন্তু কে হবেন পরবর্তী রাজ্য সভাপতি তা নিয়ে যখন জল্পনা চলছে, তখন রাজ্য সফরে বেরিয়ে পড়েছেন দিলীপ ঘোষ। ঠিক যেমনটা করতেন রাজ্য সভাপতি থাকাকালীন।

গত কয়েকদিনে দিলীপ জেলায় জেলায় ঘুরছেন। মেদিনীপুর, ব্যারাকপুর, মুর্শিদাবাদ, মালদহ দক্ষিণ, মালদহ উত্তর হয়ে সোমবার তিনি পৌঁছেছেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের লোকসভা কেন্দ্র বালুরঘাটে! সোমবার সন্ধ্যায় জলপাইগুড়ি লোকসভা এলাকা। সর্বত্রই এক কর্মসূচি— স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করে কথা বলা। কেন এমন সফর? দিলীপের দাবি, অতীতের মতোই তিনি ঘুরছেন। এ তো নতুন কিছু নয়। উল্লেখ্য বিষয় হল, দিলীপের এই কর্মসূচি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রাজ্যনেতৃত্ব। যদিও বিজেপির অন্দরে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে, কিছুদিনের অপেক্ষা মাত্র, ফের BJP রাজ্য সভাপতি হচ্ছেন দিলীপ ঘোষ!



