আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি বেড়েছে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যাও। আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা, বৃষ্টির দাপটের জেরে এই সংখ্যা যে আরও বাড়বে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। শুধুমাত্র সরকারি হাসপাতালেই এই মুহূর্তে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি আছেন ৮০৬ জন। রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা সিদ্ধার্থ নিয়োগী জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে কলকাতার যা আবহাওয়া, তাতে নভেম্বর মাস পর্যন্ত থাকবে ডেঙ্গির দাপট।
এদিকে ডেঙ্গির পজি়টিভিটি রেটের নিরিখে এখন রাজ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ জায়গায় রয়েছে বিধাননগর। ফাঁকা জমি ও দীর্ঘদিনের বন্ধ বাড়িতে নজরদারি বাড়ানো এবং বিধাননগর পুরনিগমের তিনটি হাসপাতালে বেডের সংখ্যা বাড়াতে বলা হয়েছে। ড্রোন উড়িয়ে খালগুলিতে জীবাণুনাশক স্প্রে করার কথাও ফের একবার স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন স্বাস্থ্য ভবনের কর্তারা। নজর দিতে বলা হয়েছে পুজো প্যান্ডেলগুলির উপরেও।
একলাফে এক সপ্তাহে রাজ্যে সংক্রমণ বাড়ল দ্বিগুণ। স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী এই সপ্তাহে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪,৭৪৪-এ। গত সপ্তাহেও যা ছিল ৪,২২৪-এ।
স্বাস্থ্য দফতর জেলা, ব্লক ও মহকুমা হাসপাতালগুলির কর্তৃপক্ষের কাছে নির্দেশ পাঠিয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, জেলা-ব্লক-মহকুমা হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক, অ্যাডিশনাল সুপার, অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারদের শহরেই থাকতে হবে।
উৎসবের মরশুমের আগেই হুহু করে বাড়ছে রাজ্যে ডেঙ্গুর প্রকোপ। সোমবার রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ ৮৪০ টি নতুন সংক্রমণের রিপোর্ট করার সাথে সাথে জানিয়েছে যে পশ্চিমবঙ্গে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়তে থাকছে।
রাজ্যে ডেঙ্গু সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বমুখী। তাই বাতিল হল পুজোয় চিকিৎসকদের ছুটি। স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় এবছরের প্রায় সাত গুণ বেড়েছে। যা দেখে মাথায় হাত পড়েছে নবান্ন থেকে চিকিৎসকদের।
শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালের চিকিত্সক চন্দন ঘোষের কথায়, শিশুকে মৃতপ্রায় অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল৷ আমাদের তরফে চিকিৎসার কোনও খামতি রাখা হয়নি৷ চিকিৎসকেরা চেষ্টা করেন৷ শিশু রাতের দিকে কথা বলেছে, নিজে ওষুধ খেয়েছে৷ কিন্তু ভোররাতে হঠাৎ শিশু মারা যায়৷