মমতা বলেছেন, ‘‘১৭ তারিখ থেকে সারা বাংলায়, সব ব্লক, সব ওয়ার্ডে ২টো থেকে ৪টে পর্যন্ত বাম-রামের চক্রান্তের বিরুদ্ধে মিছিল এবং আন্দোলন হবে। ১৮ তারিখ ধর্না হবে ব্লকে ব্লকে। ১৯ তারিখে রাখি। ২০ তারিখে আবার পথে নামব আমরা।’’
আরজি করে তরুণী চিকিৎসককে খুন এবং ধর্ষণের ঘটনায় প্রথম থেকেই সিবিআই তদন্তের সায় ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এমনকি সোমবার নিহত চিকিৎসকের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেও তিনি কার্যত পুলিশকে এক সপ্তাহের ডেডলাইন বেঁধে দেন। এবং বলেন, আগামী রবিবারের মধ্যে তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ না হলে সিবিআই আরজি কর-কাণ্ডের তদন্তভার গ্রহণ করবে।
কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। তাঁর বক্তব্য, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লাল ঝান্ডা থাকবেই। বামেদের তরফ থেকে মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের দাবি করা হয়েছে।
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মারা গেলে তাঁর দেহ সরকারের প্রধান সচিবালয়ে নিয়ে যাওয়ার রীতি আছে। তবে সেখানেও নিয়ে যাওয়া হবে না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারি কাজের বাইরে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রিয় জায়গা ছিল নন্দন। সেখানেও মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে না।
সক্রিয় রাজনীতি থেকে অনেক দিন আগেই বিদায় নিয়েছেন বুদ্ধবাবু। ২০১১ সালে যাদবপুর কেন্দ্রে হারার পর থেকেই সেভাবে দলের সক্রিয় কোনও কর্মসূচিতে দেখা যায়নি তাঁকে। যদিও আলিমুদ্দিনে যেতেন বই পড়তে।