স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নাম না করেই কংগ্রেস সহ বিরোধী দলগুলিকে আক্রমণ করেন। একইসঙ্গে আগামী বছর লালকেল্লায় ফিরবেন বলেও দাবি করেন তিনি।
দেশের প্রথম এবং একমাত্র মহিলা প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নামে একটি ফেলোশিপ প্রোগ্রাম চালু করল কংগ্রেস। নাম, ‘ইন্দিরা ফেলোশিপ’। মহিলারা যাতে রাজনীতিতে আরও উৎসাহ পান এবং যোগদান করেন, সেই উদ্দেশ্যেই এই বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হল হাত শিবিরের পক্ষ থেকে। বিষয়টি নিয়ে ট্যুইট করেছেন ইন্দিরার নাতি তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী।
অভিযোগ, সেসময় বারবার কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা তাঁকে টিপ্পনি করছিলেন। এনিয়ে কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈর বক্তব্য, বিরোধী সাংসদদের এভাবে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্তে স্পষ্ট, INDIA জোট নিয়ে বিজেপি ভীত এবং সেই কারণে তাঁদের কাজেকর্মে বাধা দিচ্ছে। কিন্তু এভাবে আমাদের পিছু হঠানো যাবে না। আমরা প্রতিবাদের স্বর আরও উঁচুতে তুলব এবং দিনশেষে আমরাই জিতব।”
নজরবন্দি ব্যুরো: সংসদের বাদল অধিবেশনের শুরু থেকেই মণিপুর হিংসা নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধীরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিবৃতি দাবি করেছে তাঁরা। সংসদে আনা হয়েছে অনাস্থা...
তার মধ্যে বিজেপির ৭ আরএসপির ১৷ জাতীয় কংগ্রেসের নির্বাচিত সদস্য ১তৃণমূল কংগ্রেসের ১০ জন। স্বাভাবিক কারণে তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যা দাঁড়ালো বারো জন এবং বিজেপির সাতজন।
জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৮(১) ধারা অনুযায়ী, কোনও অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে সাংসদ-বিধায়কের দু’বছর বা তার বেশি কারাদণ্ড হলে তৎক্ষণাৎ তাঁর সাংসদ বা বিধায়ক পদ চলে যায়।
কংগ্রেস শাসিত রাজ্যকে 'ধর্ষণ রাজধানী' বলেও তোপ দেগেছে গেরুয়া শিবির। এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে দিল্লি থেকে চার সদস্যের প্রতিনিধি দল মরুরাজ্যে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই দলে রয়েছে বাংলার সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। আজই এই প্রতিনিধি দল রাজস্থানে পৌঁছে যাবে বলে খবর।