নজরবন্দি ব্যুরো: স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নাম না করেই কংগ্রেস সহ বিরোধী দলগুলিকে আক্রমণ করেন। একইসঙ্গে আগামী বছর লালকেল্লায় ফিরবেন বলেও দাবি করেন তিনি। আর প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকেই পাল্টা কটাক্ষ করেন জাতীয় কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে।
আরও পড়ুন: নাম না করে কংগ্রেসকে আক্রমণ, স্বাধীনতা দিবসে পরিবারতন্ত্র ও দুর্নীতি নিয়ে সরব মোদী
এদিন বক্তব্যের শুরুতেই দেশবাসীকে নিজের পরিবার উল্লেখ করে সকল নাগরিকদের অমৃত মহোৎসবের শুভেচ্ছাবার্তা জানান মোদী। ভারতকে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র বলেও উল্লেখ করেন। আগামী বছর স্বাধীনতা দিবসে ফের লালকেল্লায় এসে ভাষণ দেওয়ার বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আপনাদের দেশের উপলব্ধি, দেশের সংকল্প, গৌরবের কথা আপনাদের সামনে প্রস্তুত করব।” এর জবাবে খাড়গে দাবি করেন, “উনি (নরেন্দ্র মোদী) আগামী বছর পতাকা উত্তোলন করবেন কিন্তু নিজের বাড়িতে।” মঙ্গলবার স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না কংগ্রেস সভাপতি। এনিয়ে তাঁর দলের তরফে কার্যত কটাক্ষ করে বলা হয়, মোদীকে নিরাপত্তা দিতে দিল্লিতে এত কড়াকড়ি ব্যবস্থা করা হয়েছিল যে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছতে অনেক সময় লেগে যেত। সেই কারণেই যোগ দিতে পারেননি খাড়গে।

নিজের ভাষণে বিরোধীদের নিশানায় এনে আরও একবার পরিবারতন্ত্র এবং দুর্নীতি নিয়ে সরব হন। তাঁর কথায়, “দুর্নীতি, পরিবারবাদ ও তুষ্টিকরণ আমাদের দেশের শত্রু। এই তিন শত্রুর বিরুদ্ধে লড়তে হবে। পরিবারবাদ জনগণের অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছে।” নাম না করে কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বলেন, “ওঁরা দেশের মানুষের জন্য ভাবে না। ওঁরা কেবল নিজের উন্নতি চায়। ওঁদের মন্ত্র হল দলের জন্য, দলকে নিয়ে, দলের সঙ্গে কাজ করা।”

এছাড়াও মণিপুরের মর্মান্তিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হিংসা-বিধ্বস্ত মণিপুর নিয়ে মোদী বলেন, “গত কয়েক সপ্তাহ ধরে মণিপুর উত্তপ্ত। তবে মণিপুরে শান্তি বজায় রাখতে কেন্দ্র ও রাজ্য যৌথভাবে প্রয়াস চালিয়েছে। ধরে-ধীরে মণিপুর শান্ত হচ্ছে। এখন মণিপুরে শান্তি রয়েছে। গোটা দেশ মণিপুরের পাশে রয়েছে।”
২৪-এ নিজের বাড়িতে পতাকা তুলবেন মোদী, পাল্টা কটাক্ষ খাড়গের




