কেন্দ্রের এই বঞ্চনার বিরুদ্ধে পাড়ায় পাড়ায় আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। রাজ্যের প্রতিটি বুথে আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। চলতি মাসের ৫ ও ৬ জুন ব্লক ও বুথে বুথে আন্দোলন করার ডাক দিয়েছিলেন মমতা।
২৯ এপ্রিল দুই দিনের দিল্লি সফরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পরের দিনেই প্রধানমন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু বিচারপতিদের সম্মলনে উপস্থিত থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন না তিনি।
তোমাকে কী রাজ্যপাল ফোন করে? এটা করবে না ওটা করবে না সেটা করবে না। তা করলেও তুমি এখন বলবে না। করলেও ওসব এখন দেখার দরকার নেই। তুমি রাজ্য সরকারের অধীনে কাজ করছ। ঠিক আছে? তুমি তোমার মতো কাজ করবে।
শুধুমাত্র চমকাদর সাহিব নয়, সেইসঙ্গে বাহাদুর আসনেও লড়বেন মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নি। এবারের নির্বাচনে দুটি আসনে লড়বেন চান্নি। যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা।
'আদ্যোপান্ত দুর্নীতিগ্রস্ত', জৈন হাওয়ালা প্রসঙ্গ তুলে রাজ্যপালকে আক্রমন মুখ্যমন্ত্রীর। রাজ্যে আসার প্রথম দিন থেকেই সরকারের সঙ্গে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সম্পর্ক নরমে গরমে। তৃতীয়বারের জন্য মমতা সরকার ক্ষমতায় এলেও সেই সম্পর্কের কোন উন্নতি হয়নি। বরং ভোট কেন্দ্রিক হিংসা থেকে একের পর এক ইস্যুতে সরকারকে সরাসরি আক্রমন শানিয়েছেন রাজ্যপাল। অন্যদিকে শাসক দলের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন সময়ে আক্রমন করা হয়েছে রাজ্যপালকে।