ঘটনার দিন অভিযুক্ত নাবালক তিন বছরের শিশুটিকে নিয়ে সাইকেলে করে ঘুরতে বেরিয়েছিল। সুযোগ পেয়েই তাঁকে এলাকার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। নির্যাতিতার চিৎকার শুনে এলাকাবাসীরা ছুটে আসে। লোকজনদের আসতে দেখেই ঘটনাস্থল ছেড়ে পালায় অভিযুক্ত। দ্রুত শিশুটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
১২ বছর বয়স থেকে ধর্ষণের শিকার হওয়ার দরুন দীর্ঘ সময় ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। এর মধ্যেই সাহস জুগিয়ে মুখ খুলেছেন ওই মহিলা। একাধিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে গ্রেফতার করেছে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। আদালতের নির্দেশে জেল হেফাজতে রাখা হয়েছে তাঁকে।
ফের উত্তরপ্রদেশে ১৭ বছরের নাবালিকার উপর নৃশংস অত্যাচারের অভিযোগ খবর উঠে এল। জানা গেছে, অপহরণ করে গণধর্ষণ ছাড়াও তিন অভিযুক্ত মিলে নাবালিকাকে মারধর করে। এমনকী তাঁর গোপনাঙ্গে আঘাত করা হয়।
ঠিক কী হয়েছিল? পূর্ব কল্যাণের বিঠ্ঠলে পাশাপাশি থাকত দুই পরিবার। মেয়েটির পরিবারের অভিযোগ, ছেলেটি তাকে খেলার জন্য ডেকেছিল। তারপর তাদের বাড়ির পিছনে নিয়ে গিয়ে তার উপর নির্যাতন চালায় সে। যদিও বাড়ি ফিরে শিশুটি তার মা কিংবা অন্য কাউকে কিছু বলেনি। কিন্তু অচিরেই তার স্বাস্থ্যের অবনতি হয়। সেই সময়ই পুরো বিষয়টি জানতে পারে তার পরিবার।
৩ বছরের শিশুকে ধর্ষণ নাবালকের, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার ছেলে। তার পর থেকেই ধর্ষণের মামলা প্রত্যাহার করার হুমকি পাচ্ছে শিশুর পরিবার। ওই পরিবারের কর্তাকে প্রাণনাশেরও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।
রাতে আসে বহু অচেনা লোক, শিশু হোম নিয়ে উঠল রহস্যজনক ঘোটনা। বাড়ির প্রথম তলায় হোমের দফতর। দ্বিতীয় তলায় রয়েছে শিশুদের রাখার জায়গা। কিন্তু তার উপরে গেলেই বদলে যাবে ছবিটা।