বাংলায় ভোট শেষ হয়েছে ১ জুন। ফলাফলও বেরিয়ে গিয়েছে ৪ জুন। অথচ কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে মোতায়েন করা রয়েছে। কারণটা হল, ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস। আর বৃহস্পতিবার অশান্তির পরিসংখ্যান দেখে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মেয়াদ বাড়াল কলকাতা হাই কোর্ট।
হিরণ তো সাফ বলেই দিলেন, রাজ্য পুলিশ-কেন্দ্রীয় বাহিনী-নির্বাচন কমিশন মিলে তাঁর বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্স করে নিয়েছে! একই সুর অগ্নিমিত্রা পালের কণ্ঠেও। তাঁর বক্তব্য, ভেতরে ছাপ্পা হোক বা পোলিং এজেন্টকে বসতে না দেওয়া, কেন্দ্রীয় বাহিনী বাইরে দাঁড়িয়ে শুধু দেখে যাচ্ছে।
দ্বিতীয় দফায় সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ২৯৯ কোম্পানি। তৃতীয় দফার ভোটে অতিরিক্ত আরও ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে রাজ্যে। ৭মে বাংলায় ভোট রয়েছে মালদা উত্তর, মালদা দক্ষিণ, মুর্শিদাবাদ এবং জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রে। ওইদিন রাজ্যে থাকছে মোট ৪০২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।
ভোটের প্রথম দিনেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলল তৃণমূল কংগ্রেস। শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মদতে ভোটারদের ভয় দেখানো এবং রিগিংয়ের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে।
আগামীকাল, শুক্রবার থেকে শুরু লোকসভা নির্বাচন। প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি এই তিন কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। এবার শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই রাজ্যে উপস্থিত হয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা।
৫১ কোম্পানি বাহিনী থাকবে ইসলামপুরে। দার্জিলিঙে মোতায়েন করা হবে ৫১ কোম্পানি বাহিনী। শিলিগুড়িতে ২১ কোম্পানি এবং কালিম্পঙে ১৬ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
খবরে আরো জানা গিয়েছে পয়লা বৈশাখের আগে পরে আরো ১৫০ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে আসার কথা। তবে তা নিয়ে এখনো কোন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলেই জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব। যদি পহেলা বৈশাখের আগে ও পরে আরো ১৫০ কোম্পানি বাহিরে আসে তবে রাজ্যে মোট কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা হবে ৪২৭।