আরজি কর কাণ্ডের পর থেকেই আন্দোলনকারী চিকিৎসক-সহ সমাজের একাধিক স্তর থেকে উঠে আসছিল, এই ঘটনা একার পক্ষে করা সম্ভব নয়। কিন্তু ঘটনার ৫৫ দিন পর সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছিল, তাতেও ধর্ষণ খুনে অন্যতম একমাত্র অভিযুক্ত হিসাবে ধৃত সিভিক ভলান্টিয়রেরই নাম রয়েছে। কিন্তু ধৃতের এদিনের বিস্ফোরিত মন্তব্যে উঠে এল একাধিক প্রশ্ন।
এমনকী, গত ৯ আগস্ট আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ সকাল এগারোটার আগে হাসপাতালে ঢুকেছেন, সিসিটিভি দেখে এমন প্রমাণ এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি বলে সিবিআইয়ের দাবি। তাই আর জি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তথ্য ও প্রমাণ লোপাট ও ষড়যন্ত্রে এখন সিবিআইয়ের মূল ভরসা সেই মোবাইলের কল রেকর্ড।
এই কথা শোনার পর বিচারক বলেন,"অবশ্যই আপনাকে বলার সুযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু এইভাবে নয়। জেলে আপনার কাছে আপনার আইনজীবী যাবেন। তিনি সেখানে গিয়ে আপনার সব কথা শুনবেন। আপনি তাকে যা বলার সবটাই বলবেন "। এরপরেও বিচারককে তিনি বলেন, "স্যার আমি কিছু করিনি, ঘটনার বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা "।
পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে প্রাথমিকে নিয়োগ কেলেঙ্কারির মামলায় গ্রেফতার করল সিবিআই। মঙ্গলবার রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে বিশেষ সিবিআই আদালতে হাজির করার পর গ্রেফতারের আবেদন জানায় কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে।
সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলার শুনানি হল। দুপুর দু'টোর সময় মামলাটি এজলাসে ওঠার কথা থাকলেও তা শুরু হতে হতে বেলা সাড়ে চারটে বাজল। এদিনের শুনানিতেও ডিভিশন বেঞ্চের কাছে তদন্তের একটি স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছে সিবিআই।
কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা এজেন্সি সূত্রে খবর, ফরেন্সিক ডিপার্টমেন্ট থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তাঁদের হাতে এসেছে, যে কারণে সন্দীপদের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার প্রয়োজন। কিন্তু সিবিআই হেফাজতের আবেদন খারিজ করে দিল আদালত।
তদন্তের রিপোর্ট পর্যবেক্ষণের পর প্রধান বিচারপতি বলেন, চোখে গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে। ঘুমন্ত অবস্থায় কী ভাবে চোখে আঘাত লাগল? সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা জানান, চশমা খুলে না রাখার জন্য সেটি হয়েছে।