গত ৯ আগস্ট, আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সেমিনার হল থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ, ধর্ষণ ও খুন করা হয়েছে তাঁকে। ওই ঘটনার পর থেকে সরব জুনিয়র ডাক্তাররা। কখনও কর্মবিরতি, কখনও অনশনের মাধ্যমে আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছেন তাঁরা। এছাড়াও আরজি করে এই মহিলা ডাক্তারের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে গোটা রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।
রাত জেগেছে গোটা রাজ্যের সহ সাধারণ নাগরিকরা। এই ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার তদন্তে নামার পর বিভিন্ন মহল থেকে বহু তথ্য আসে সিবিআই এর হাতে। প্রকৃতি তথ্যই যাচাই করার জন্য সিসিটিভির উপর গুরুত্ব ড্যান্স সিবিআই আধিকারিকরা। আর সেই কারণেই গত তুই আগস্ট সকাল থেকে আগস্ট পর্যন্ত হাসপাতালের সমস্ত সিসিটিভির ফুটেজ ফ্রেম টু ফ্রেম দেখা হয়।


এছাড়াও জুলাই মাসের প্রথম থেকে সিসিটিভি ফুটেজের ওপর নজর রাখে সিবিআই এর টিম। এই সিসিটিভি ফুটেজ এর মধ্যে সিবিআই টিমের নজরে ছিল দুটি। যে দুটি সিসি টিভির মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা যেত রুম। সেই সিসিবি দুটির ফ্রেম টু ফ্রেম নজরদারি চালিয়েও আর জি কর হাসপাতালের অন্য কোনও তলা বা ঘর থেকে নির্যাতিতাকে সেমিনার রুমে নিয়ে আসার কোনও প্রমাণ পেল না সিবিআই।
এমনকী, গত ৯ আগস্ট আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ সকাল এগারোটার আগে হাসপাতালে ঢুকেছেন, সিসিটিভি দেখে এমন প্রমাণ এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি বলে সিবিআইয়ের দাবি। তাই আর জি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তথ্য ও প্রমাণ লোপাট ও ষড়যন্ত্রে এখন সিবিআইয়ের মূল ভরসা সেই মোবাইলের কল রেকর্ড।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



