নিয়োগ দুর্নীতি বারবার রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতিরা। সোমবার শিক্ষক বদলি মামলার শুনানি চলাকালীন প্রাথমিক স্কুলগুলিতে শিক্ষক ও পড়ুয়াদের আনুপাতিক হার এবং পড়ানোর মান নিয়ে সরব এবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনের ইচ্ছাপ্রকাশ করেন তিনি।
এদিন আদালতে আইনজীবীদের সঙ্গে খোশমেজাজে দেখা গেল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে। স্পষ্ট করলেন নিজেও নীল-সাদার সমর্থক। তাঁর কথায়, মেসি কখনই মারাদোনা নন। মারাদোনা হলে একাই ১০ জনকে কাটিয়ে গোল দিতে পারতেন। আবার তাঁর কথায়, এমবাপে কখনই পেলে নন।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার সুবীরেশকে হেফাজতে নিল সিবিআই। তাঁকে ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আলিপুরের বিশেষ সিবিআইয়ের আদালত। আগামী ২২ ডিসেম্বর ফের তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। তবে কী তদন্তের গতিপ্রকৃতি বদলাবে? প্রশ্ন তুলছে অয়াকিবহাল মহল।
সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টের কাছে এই ধরনের অভিযোগ জমা পড়েছে। বেশী বয়সে যারা স্কুলে চাকরি পেয়েছেন, তাঁরা বিশেষ শ্রেণীভুক্ত বলে জানিয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। বয়স ভাঁড়িয়ে চাকরির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে? এমনকি ২০ জনের ইন সার্ভিসের নোটিশ চেয়ে পাঠানো হয়েছে কমিশনের তরফে।
ওয়েটিং লিস্টে থাকা চাকরি প্রার্থীর র্যাঙ্ক জাম্প করে নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিচারপতি। কার সুপারিশে অযোগ্যরা চাকরি পেয়েছেন? কে কে তাঁদের সুপারিশ দিয়েছিল? শুক্রবার নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত একটি মামলায় ৯ জনের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই মামলা চলাকালীন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর নাম উল্লেখ করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকি মধ্যশিক্ষা পর্ষদ কালপ্রিট, বলে কটাক্ষ করেন তিনি।
শুক্রবার এই মামলায় সশরীরে আদালতে উপস্থিত হন অভিযুক্ত। সেখানেই তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতার নথি পেশ করেন তৃণমূল কাউন্সিলর। এরপরেই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ভুল তথ্য দেওয়ায় মামলাকারীর আইনজীবীকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। আগামী ৬ জানুয়ারি আইনজীবীকে টাকা দিতে হবে।