নজরবন্দি ব্যুরোঃ বয়সের ক্ষেত্রে কারচুপি করে নিয়োগ হয়েছে। অভিযোগ, ২০১৬ সালে আবেদনের সময় কারোর বয়স ৪৫ আবার কারোর বয়স ৪৬। অথচ এরাও আবেদন করতে পারছেন। সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টের কাছে এই ধরনের অভিযোগ জমা পড়েছে। বেশী বয়সে যারা স্কুলে চাকরি পেয়েছেন, তাঁরা বিশেষ শ্রেণীভুক্ত বলে জানিয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। বয়স ভাঁড়িয়ে চাকরির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে? এমনকি ২০ জনের ইন সার্ভিসের নোটিশ চেয়ে পাঠানো হয়েছে কমিশনের তরফে।


নিয়ম ভেঙে ৪৫ থেকে ৫০ বছর বয়সিদের নবম-দশম শ্রেনীর শিক্ষকপদে নিয়োগ করা হয়েছে। তাই বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীরা এর বিরুদ্ধে মামলা করেন। এবিষয়ে স্কুল সার্ভিস কমিশনকে দ্রুত রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা বলেছে আদালত।

কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অনেকের বিরুদ্ধে বয়স ভাঁড়িয়ে চাকরির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তাঁদের বেশিরভাগই ওবিসি ক্যাটেগরি ভুক্ত। এমনিতেই স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত চাকরির আবেদন করা যেতে পারে। কিন্তু যারা ওবিসি ক্যাটেগরিভুক্ত, তাঁদের বয়সের সীমা তিন বছর অবধি শিথিল করা যায়। এমনকি ৫৫ বছর অবধি আবেদন করতে পারবেন তাঁরা। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা যদি ইন-সার্ভিস ক্যাটেগরিভুক্ত হন, তাহলে এখানে কোনও সমস্যা থাকার কথা নয়।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, এদের মধ্যে কেউই ইন-সার্ভিস ক্যাটেগরি ভুক্ত নয়। ১৯৭০ সালে জন্ম হয়েছে, এমন প্রার্থীও ২০১৬ সালে আবেদন করে লিখিত পরীক্ষা, এমনকি ইন্টারভিউ দিয়ে এখন চাকরির জন্য অপেক্ষা করছেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে অভিযুক্তদের নথি চেয়ে পাঠানো হয়েছে।


বয়স ভাঁড়িয়ে চাকরির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড়! তথ্য চেয়ে পাঠাল কমিশন

স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে শুক্রবার রাতেই এবিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষায় যে সমস্ত শিক্ষক কর্মরত অবস্থায় ফের আবেদন করে চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের বর্তমান চাকরির সবিস্তার তথ্য জানাতে হবে।







