গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলের জামিনের বাধা হয়ে দাঁড়াল তাঁর প্রভাবশালী তকমা। এদিন বিচারপতির মন্তব্যেই সেই কথা পরিষ্কার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এদিন বিচারপতি বলেন, শুধুমাত্র কয়েকজন সাক্ষী নন, হুমকির শিকার হয়েছে বিচারক। অন্যান্য অভিযুক্তদের থেকেও অনুব্রত বেশী প্রভাবশালী এটা কার্যত স্পষ্ট।
স্কুল সার্ভিস কমিশনের বিরুদ্ধে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে লাগাতার। এখন ভুয়ো শিক্ষক খুঁজে বের করে চাকরি বাতিল করুন। নিজেদের ভুল শুধরে নিলে ভালো হয়। তা হলে আর সিবিআইয়ের প্রয়োজন হবে না। বৃহস্পতিবার কর্মশিক্ষায় নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় এমনটাই দাবি জানালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু।
বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রশ্ন, জেল থেকে আদালতের দূরত্ব ২ কিলোমিটারের থেকেও কম। এত কেন সময় লাগবে? তিহাড় জেল থেকে নিয়ে আসা হবে তাঁকে? প্রশ্ন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। একইসঙ্গে দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলা বিচারকের রিপোর্ট তলব করলেন তিনি।
স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুবিরেশ ভট্টাচার্যের বক্তব্য হাতিয়ার করতে পারে তদন্তকারী সংস্থা? বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পরেই সেই প্রশ্ন মাথাচাড়া দিতে শুরু করেছিল। এরই মধ্যে জামিনের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে উপস্থিত হন স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান। বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানি ছিল। জামিন পেলেন না সুবীরেশ।
একমাত্র শুভেন্দুকে বলতে শোনা যায় আমি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চে যাবো। কীসের জন্য কোন কারনে? বারবার আদালত কেন শুভেন্দু অধিকারীকে রক্ষাকচ দিচ্ছে? প্রশ্ন তৃণমূল মুখপাত্রের। কেন আদালত বলছে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে এফআইআর করতে গেলে কোর্টের অনুমোদন লাগবে। আইপিএসদের ভয় দেখাচ্ছে শুভেন্দু। আপনি তাঁকে প্রোটেকশন দিচ্ছেন। কালকের ঘটনার দায়িত্ব বিচারপতি মান্থাকেও নিতে হবে।
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশেই এতদিন ধরে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত করছিল সিবিআই। এবার সেই মামলায় ইডিকে পার্টি করার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। অভিযোগ, টাকার বিনিময়ে ওএমআর শিট বিকৃত করা হয়েছে। আজই ইডিকে তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।
সিবিআই নাকি সিআইডি? বগটুই হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত লালন শেখের রহস্যমৃত্যু নিয়ে ক্রমশ প্রশ্ন মাথাচাড়া দিচ্ছিল। আজ আকগুচ্ছ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, লালন শেখের মৃত্যু তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবে সিআইডি। কিন্তু সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে এখনই কড়া পদক্ষেপ নিতে পারবে না। এমনকি সিবিআইয়ের আধিকারিকদের বয়ান নেওয়ার সময় ভিডিওগ্রাফি করতে হবে। একইসঙ্গে আদালতের নির্দেশ, লালন শেখের পরবর্তী ময়নাতদন্ত হবে কল্যাণী এইমসে।