নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার সুবীরেশকে হেফাজতে নিল সিবিআই। তাঁকে ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আলিপুরের বিশেষ সিবিআইয়ের আদালত। আগামী ২২ ডিসেম্বর ফের তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। তবে কী তদন্তের গতিপ্রকৃতি বদলাবে? প্রশ্ন তুলছে অয়াকিবহাল মহল।
আরও পড়ুনঃ SSC: বয়স ভাঁড়িয়ে চাকরির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড়! নথি চেয়ে পাঠাল কমিশন
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ১৯ সেপ্টেম্বর স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করে তদন্তকারী সংস্থা। এরপর জামিনের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন সুবীরেশ। কিন্তু জামিনের আবেদনে ইতিবাচক সাড়া দেয়নি বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি অজয় কুমার গুপ্তর ডিভিশন বেঞ্চ। বরং আদালতের তরফে জানতে চাওয়া হয়েছে মামলায় এখন কোন পর্যায়ে রয়েছে? তা নিয়ে বিস্তারিত জানাক তদন্তকারী সংস্থা।
পাশাপাশি, সিবিআইয়ের কাছ থেকে আগামী ২১ ডিসেম্বর রিপোর্ট আকারে তা চেয়ে পাঠিয়েছেন। এদিন বিচারপতি আরও বলেন, সর্বোচ্চ সাজার মেয়াদ ৭ বছর। তদন্তে দেরি হচ্ছে, এই ধরনের অভিযোগ থাকলে সাড়ে তিন বছর পরে আসুন। সুবীরেশের আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, সুবীরেশ ভট্টাচার্য ৮৮ দিন ধরে জেলে রয়েছেন। এর আগে সিবিআই তদন্তে সবরকম সাহায্য করেছেন। তাই তাঁকে জামিন দেওয়া হোক। কিন্তু সেবিষয়ে কোনও রায় দেয়নি আদালত।

তবে নিইয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুবিরেশের ভূমিকা নিয়ে প্রথম থেকেই নজর দেওয়ার কথা জানিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকি গ্রুপ সি মামলায় সুবীরেশকে হাজিরার নির্দেশ কেন ২২ তারিখে নিম্ন আদালত রেখেছে? সেবিষয়েও প্রশ্ন তুলে উষ্মা প্রকাশ করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
বিচারপতি প্রশ্ন ছিল, জেল থেকে আদালতের দূরত্ব ২ কিলোমিটারের থেকেও কম। এত কেন সময় লাগবে? তিহাড় জেল থেকে নিয়ে আসা হবে তাঁকে? প্রশ্ন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। একইসঙ্গে দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলা বিচারকের রিপোর্ট তলব করলেন তিনি। ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে রিপোর্ট তলবের কথা জানানো হয়েছে।
সুবীরেশকে হেফাজতে নিল সিবিআই, আগামী ৫ দিনের হেফাজত

স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্যকে আদালতে হাজির করাতে কেন ১০ দিন সময় দেওয়া হল তা জানতে চাইল কলকাতা হাই কোর্ট।উচ্চ আদালতের তরফে এই ধরনের মন্তব্যের পরেই আলিপুর বিশেষ আদালতে সুবিরেশকে পেশ করা হয়। তাঁকে ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতে থাকার নির্দেশ দিয়েছে আলিপুরের বিশেষ আদালত।



