২০১৯ এ সংসদের দুই কক্ষে পাশ হওয়ার পরে ২০২০ সালে তা আইনে পরিণত হয়। তার পর ৪ বছরের অপেক্ষা। ২০২৪ এর ১১ মার্চ থেকে কার্যকর হল সিএএ।সিএএ বিজ্ঞপ্তি জারী করা মাত্রই উৎসবের মেজাজ মতুয়াগড়ে।
২০১৯ সালে দ্বিতীয়বারের জন্য দেশের ক্ষমতায় এসেই সিএএ (CAA) কার্যকর করার কথা ঘোষণা করে বিজেপি সরকার। সংসদে পাশ হয় বিলও। কিন্তু মাঝে এতগুলো বছর কেটে গেলেও সেই বিলকে আইনে কার্যকর করতে পারেনি কেন্দ্র সরকার।
'যোগ্য ব্যক্তিরা ভারতীয় নাগরিকত্ব পাবেন', ১১ মার্চ বিজ্ঞপ্তি জারি করার মাধ্যমে সিএএ (CAA) কার্যকর করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। ২০১৯ সালে সংসদে পাশ হয় সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (CAA)। কিন্তু, লাগু করতে ৪ বছর লেগে গেল।
দেশের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে চ্যালেঞ্জ করে দেশের বিভিন্ন আদালতে জনস্বার্থ মামলা হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ এই আইন ধর্মীয় বিভেদ বাড়াবে। তবে সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ নস্যাৎ করে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
লোকসভা নির্বাচনের আগে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র সরকার। দেশ জুড়ে লাগু হল সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন। একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আর...
২০১৯ সালে দ্বিতীয়বারের জন্য দেশের ক্ষমতায় এসেই সিএএ (CAA) কার্যকর করার কথা ঘোষণা করে বিজেপি সরকার। সংসদে পাশ হয় বিলও। কিন্তু মাঝে এতগুলো বছর কেটে গেলেও সেই বিলকে আইনে কার্যকর করতে পারেনি কেন্দ্র সরকার।
বেআইনি অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ১৯৫৫ সালে দেশে নাগরিকত্ব আইন তৈরি করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে কেন্দ্রের তরফে নতুন করে নাগরিকত্ব ও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রস্তাব আনা হয়। বলা হয়, ২০১৫ সালের আগে প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান থেকে আসা হিন্দু, জৈন, পার্সি, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ নাগরিকদের এ দেশের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।